একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত পাঁচ ইসলামী ব্যাংক–ফার্স্ট সিকিউরিটি, সোশ্যাল ইসলামী, এক্সিম, গ্লোবাল এবং ইউনিয়ন ব্যাংকের আমানতকারীদের ব্যাংক হিসাব নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
আগামী সপ্তাহের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন হলে বিদ্যমান পাঁচটি ব্যাংকের গ্রাহকগণের ব্যাংক হিসাবের আমানত নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তরিত হবে। এর ফলে আমানতকারীগণ তাদের বিদ্যমান চেক বইয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ পাবেন।
অবশিষ্ট আমানত (যদি থাকে) তাদের ব্যাংক হিসাবে সুরক্ষিত থাকবে এবং উক্ত আমানতের উপর প্রচলিত হারে মুনাফা প্রদান করা হবে।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক হওয়ায় নবগঠিত এ ব্যাংকের উপর জনগণের আস্থা সৃষ্টি হবে এবং এর ফলে আমানতকারীদের টাকা উত্তোলনের চাহিদা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করা যায়, জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
উল্লেখ্য, একীভূত হতে যাওয়া পাঁচ ব্যাংকে ৭৫ লাখ আমানতকারীর বর্তমান জমা আছে এক লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঋণ রয়েছে এক লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এক লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা বা ৭৬ শতাংশ এখন খেলাপি। মোট ঋণের যা প্রায় ৭৭ শতাংশ। বিপুল অঙ্কের এ খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা সঞ্চিতির ঘাটতি দেখা দিয়েছে ৭৪ হাজার ৫০১ কোটি টাকা।
সারাদেশে এসব ব্যাংকের ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ রয়েছে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ ঋণ খেলাপি ইউনিয়ন ব্যাংকের। পর্যায়ক্রমে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামীর ৯৭ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামীর ৯৫ শতাংশ, সোশ্যাল ইসলামীর ৬২ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং এক্সিম ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
পড়ুন: সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ খোলা থাকবে ব্যাংক
দেখুন: একাধিক দেশে অ/স্ত্র কারখানা গড়ে তুলেছে ইরান!
ইম/


