বিজ্ঞাপন

ঢাকায় চীনা ব্যাংক স্থাপনের সুপারিশ ব্যবসায়ীদের

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্যে সহজ লেনদেনে ঢাকায় একটি চীনা ব্যাংক চান বাংলাদেশ ও চীন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। চীনের অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লেনদেনের পাশাপাশি এটি একটি লাভজনক উদ্যোগও হতে পারে। বাংলাদেশের কোনো একটি দুর্বল ব্যাংকে বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্রততম সময়ে সহজেই ঢাকায় চীনা ব্যাংকিং শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। 

বিজ্ঞাপন

চীন সরকার ও উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে এ আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি  এম খোরশেদ আলম।

গতকাল শনিবার চেম্বারের বার্ষিক ভ্রমণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারাও চীনা ব্যাংকের দাবি জানান।

পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও মেডিকেল নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগ করতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি তারা আহ্বান জানান। এসব উদ্যোগের  মাধ্যমে আগামীতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করেন তারা।

রাজধানী ঢাকার কাছে মুন্সীগঞ্জের একটি রিসোর্টে দিনব্যাপী এই আয়োজনে বাংলাদেশ ও চীনের দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও  উদ্যোক্তা উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে চীনের কয়েকজন উদ্যোক্তা বাংলাদেশে আগামীতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। এদের একজন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাটেরগো টেক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারলোড জ্যাং সমকালকে জানান, পরিবহনে ব্যবহারযোগ্য লিড ব্যাটারির একটি কারখানা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর কোম্পানির। খুব দ্রুত  ঢাকায় কারখানা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন তারা। ছোট-বড় সব ধরনের পরিবহনে ব্যবহারের এই ব্যাটারি হবে ব্যয়সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব।

চীনা ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইদাই ইলু চায়নিজ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সাদী বলেন, চীনা ভাষা জানলে চীনে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অবারিত সুযোগ রয়েছে। মাত্র ছয় মাসের এই কোর্সে যে কেউ দিনে আড়াই ঘণ্টার পাঠ থেকে সহজেই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিতে পারেন।

পড়ুন: সজল আলীর বিয়ের গুঞ্জন, ভক্তদের উচ্ছ্বাস

দেখুন: দিনে ৪০টি হাঁসের মাংস বিক্রি করেন মডেল মিম! 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন