২৮/০২/২০২৬, ১৯:০৫ অপরাহ্ণ
26.8 C
Dhaka
২৮/০২/২০২৬, ১৯:০৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে অবস্থিত লাইব্রেরিতে আয়োজিত এ দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আকতার হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মোশাররফ হোসেন।


পিরোজপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা যুবায়ের আহমাদ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।


দোয়া অনুষ্ঠানের শুরুতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় বিপুল জনসমাগমই প্রমাণ করে তিনি কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর অনেকটা বাধ্য হয়েই তিনি রাজনীতিতে আসেন এবং একজন গৃহবধূ থেকে শক্তিশালী নেতৃত্বে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।”


তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। দেশের স্বার্থে তিনি কখনও আপস করেননি। শিক্ষা ও শিক্ষকদের প্রতি তিনি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। তাঁর মৃত্যু দেশের রাজনীতিতে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।”


এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক দৃঢ়তার প্রশংসা করেন। তারা বলেন, তাঁর আপসহীন ও সাহসী নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

পড়ুন- শীতের তীব্রতায় বিপাকে জনজীবন, আজ তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি

দেখুন- অবৈধ বালু উত্তোলনে সৌন্দর্য হারাচ্ছে গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন