যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে
নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শংকরপুরে সাবেক কাউন্সিলার নয়নের কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন আলমগীর হোসেন। এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা হঠাৎ তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিটি তার মাথার বাম পাশে লাগে। আশপাশের লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর হাসপাতালে নিহত আলমগীর হোসেনকে দেখতে যান বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সান্ত্বনা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলেও পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। একই কায়দায় বর্তমান সরকারের আমলেও বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যার ঘটনা ঘটছে, যা নিন্দনীয় ও গণতন্ত্রবিরোধী।” তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে এ ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
এ ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
হত্যাকাণ্ডের পর শংকরপুর এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের আটকে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
পড়ুন : ওসির সাথে বাগবিতন্ডা; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাহদী হাসান গ্রেফতার


