২৬/০২/২০২৬, ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
18.8 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ওসির সঙ্গে বাকবিতণ্ডা: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীর জামিন

জামিন পেলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসান। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করা হয়। পরে সকাল ১০টায় তার জামিন শুনানি হয়।

বিজ্ঞাপন

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মাহাদীকে গতকাল শনিবার সন্ধ্যার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক নেতাকর্মী হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন। তারা রাতেই আদালত বসিয়ে মাহদী হাসানের জামিন শুনানির দাবি জানান। তবে রাতে আদালত না বসায় আজ সকালে তাকে আদালতে নেওয়া হয়।

এদিকে গতকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ বলেন, ডিবি পুলিশ সাদা পোশাকে মাহদীকে তুলে নিয়ে গেছে, যা ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে দেখা গেছে। হাসিনার পুলিশ আর ড. ইউনূসের পুলিশের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তখনও মিথ্যা মামলা দেওয়া হতো, এখনো দেওয়া হচ্ছে, প্যাটার্ন বদলায়নি।

তিনি আরও বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকলেও দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট অবস্থান নেয়নি। জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জুলাই বিপ্লবকে সমুন্নত রাখতে নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে।

এ সময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে দুই দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-

১. রাতের মধ্যে মাহদীর নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে।

২. জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি প্রদান করে ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।

পড়ুন: ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন