১৪/০১/২০২৬, ১৩:৩৬ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১৩:৩৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

হাড় কাঁপানো শীতে কাপছে চুয়াডাঙ্গা, তাপমাত্রায় ৭.৫ ডিগ্রি

হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে বয়ে চলা টানা শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

বিজ্ঞাপন

প্রচন্ড এই শীতেও চুয়াডাঙ্গার প্রাথমিক সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকার শিক্ষার্থীরা শীত উপেক্ষা করে কাপতে কাপতে স্কুল কলেজে ক্লাশ করতে উপস্থিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় মারাত্মক শীত অনুভূত হচ্ছে। বয়ে যাচ্ছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। সাথে ঘন কুয়াশা। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক কর্মজীবন ব্যাহত হচ্ছে। নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। তা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হতে হচ্ছে। অনেকেই শীতের হাত থেকে বাঁচতে খড় খুঁটো জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে চালকরা হেডলাইট জ্বালিয়ে ও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচল করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোত ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গেছে।

ভ্যানচালক সামাদ বলেন, শীতের কাপড় অনেকগুলো পরিধান করেও রক্ষা পাচ্ছি না। শরীরের কোনো অংশ ঢাকা না থাকলেই হিম শীত অনুভূত হচ্ছে। ভাড়ার জন্য সকাল থেকে বের হলেও কোনো ভাড়া পাচ্ছি না, শীতে বাইরে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শিক্ষার্থী রেজাউল বলেন, সকালে পানিতে হাত দেওয়া অসম্ভব হয়ে গেছে। বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। পড়াশোনা করতে বাইরে যাওয়া অনেক কষ্ট হয়ে গেছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ। যা চলতি মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।

এদিকে জেলা-উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, বিভিন্ন এনজিও, সামাজিক সংস্থা শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় কম।

পড়ুন- নোয়াখালীতে শীতার্ত মানুষের মাঝে ছাত্রদলের কম্বল বিতরণ

দেখুন- মোমের আলোয় রান্না: গ্রামের নারীর ভিডিও ভাইরাল 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন