২৬/০২/২০২৬, ২২:৫৫ অপরাহ্ণ
23.3 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ২২:৫৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জামায়াত জোটের নারী নেত্রীকে হেনস্তার ঘটনায় বিএনপি কর্মীদের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত-২৩

লালমোহন উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের (জামায়াতসহ) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৩ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত দুইজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উপজেলার রামাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)-এর কয়েকজন নারী কর্মী রায়চাঁদ বাজার এলাকায় গণসংযোগে যান।এ সময় তারা বিএনপির এক নেতার বাড়িতে গেলে, সেখানে থাকা বিএনপির কয়েকজন কর্মী তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই নারীকর্মীদের একজনের স্বামী ও জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে, তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বিডিপির কেন্দ্রীয় মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবালসহ উভয় দলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান।

এ সময় আলোচনার মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

তবে, সন্ধ্যার পর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও তার সমর্থকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বিএনপির কয়েকজন কর্মী পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।এ ঘটনায় বিএনপির ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম মাস্টার, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন নান্নু, নুরনবী, বসির, ইমন, হৃদয়সহ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল।তিনি বলেন, সমঝোতার পর ফিরে আসার সময় আমাদের দলের ওপর হামলা চালানো হয়।অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম অভিযোগ করে বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই বিএনপির কর্মীরা আমাদের গণসংযোগে বাধা দিচ্ছে।আজ নারী কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও গালিগালাজের পর পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।এ ঘটনায় জামায়াত নেতা সোলাইমান জমদার ও আবু জাফরসহ ১১ জন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পড়ুন- ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

দেখুন- মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়, দুর্ভোগে জনজীবন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন