গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে যুবদল ও আ’লীগ নেতা মিলে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল মালেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ,কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ,যুবদলের জেলাসহ কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর অভিযোগ দিয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায় আব্দুর রাজ্জাক ও ইউনিয়ন আ’লীগের যুব ও ক্রিয়া সম্পাদক আজারুল ইসলাম রাজা।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সুন্দগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেক ১৮ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত জমি তিনি নিজ নামে বিআরএস খতিয়ান অন্তভুক্ত করেন এবং চার বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। সেই জমি যুবদল ও আ’লীগ নিজেদের দাবি করে দখল করেন। এবং প্রকাশ্যে জমির মালিককে হুমকি দেন।
ভুক্তভোগী মালেক আরও অভিযোগ করে বলেন, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমার জমিসহ অনেকের পুকুর, জমি হুকমি ধামকি দিয়ে দখল করছেন। তারা মুলত দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় আতংঙ্ক সৃষ্টি করছেন। এই চক্রটি প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গলী দেখিয়ে এসব করছেন। তাদের বিষয়ে দলীয়সহ আইনী ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় ভয়াবহতার সৃষ্টি হবে।
অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যিনি জমি দখলের অভিযোগ করছেন। তিনিই আমাদের দখল করে ভোগ করে আসছিলেন, শুধু মাত্র সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা যুবদলের আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টু আজ সোমবার বিকালে বলেন, কেউ ব্যক্তিগত ভাবে অপরাধ করলে তার দায়ভার দল নিবে না। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে তদন্ত করে দেখা হবে। যদি ওই যুবদল নেতা জোর করে অন্যর জমি দখল তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন- কুড়িগ্রামে শোবার ঘরে থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী নিখোঁজ


