১৪/০১/২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকা খেলোয়াড়দের ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের দল ঘোষণা

ফাস্ট বোলার শামার জোসেফ ও ওপেনার এভিন লুইস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষায়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদেরকে রেখে ১৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

বিজ্ঞাপন

চলমান এসএ টি-টোয়েন্টি লিগে খেলা থাকায় নিয়মিত অধিনায়ক শাই হোপকে দলের বাইরে রাখা হয়েছে। রোস্টন চেজ, আকিল হোসেন ও শেরফানে রাদারফোর্ডও একই কারণে এই সিরিজে থাকছেন না। 

হোপের অনুপস্থিতিতে ব্র্যান্ডন কিং দলকে নেতৃত্ব দেবেন। টি-টোয়েন্টিতে উইন্ডিজের অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা তার আছে, ২০২৪ সালের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হোম সিরিজে।
স্কোয়াডে নতুন মুখ কুয়েন্টিন স্যাম্পসন। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে গায়ানা আমাজ ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৯ ইনিংসে ২৪১ রান করেছেন তিনি। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ডের সঙ্গে বিশ্রাম পাওয়া রভম্যান পাওয়েলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন কুয়েন্টিন।

গত সেপ্টেম্বরে সিপিএল শেষ হওয়ার পর থেকে ক্রিকেটের বাইরে শামার। গায়ানার ১২ ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি খেলেছেন তিনি। কাঁধের চোট নিয়ে তিন থেকে চার মাস মাঠে নামতে পারেননি। তারই মতো চোট কাটিয়ে ফিরছেন লুইস। গত বছর আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে শেষবার খেলেছেন তিনি। তারপর সিপিএল ও আবুধাবি টি-টেনেও খেলতে দেখা গেছে তাকে। শামার ও লুইস ফিরলেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি ফাস্ট বোলার আলজারি জোসেফকে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে ইনজুরিতে পড়েন তিনি।

আগামী ১৯ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত দুবাইয়ে হবে এই তিন টি-টোয়েন্টি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াড: ব্র্যান্ডন কিং (অধিনায়ক), আলিক আথানেজ, কিসি কার্টি, জনসন চার্লস, ম্যাথু ফোর্ড, জাস্টিন গ্রিভস, শিমরন হেটমায়ার, আমির জাঙ্গু, শামার জোসেফ, এভিন লুইস, গুডাকেশ মোটি, খারি পিয়েরে, কুয়েন্টিন স্যাম্পসন, জেইডেন সিলস, রামোন সিমন্স ও শামার স্প্রিঙ্গার।

পড়ুন: সিলেট পর্ব শেষে বিপিএলের প্লে-অফ নিশ্চিত করল যে তিন দল

দেখুন: নারী উদ্যোগে এগিয়ে যাচ্ছে নেত্রকোণার গ্রামীন সমাজ | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন