১৪/০১/২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

হিলি ট্রেন ট্রাজেডির আজ ৩১ বছর

আজ ১৩ জানুয়ারি, দিনাজপুরের হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি হিলি রেল স্টেশনে ঘটেছিল ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা। সেদিন দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন।

বিজ্ঞাপন

দুর্ঘটনার পর পুঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে আছেন অনেকে। তবে আজও আহত ও নিহতের পরিবার পায়নি ক্ষতিপূরণ।


হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সেদিন রাত সোয়া ৯ টায় গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নং লোকাল ট্রেনটি হিলি ১ নম্বর রেল লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের দায়িত্বহীনতার কারণে সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী ৭৪৮ নং আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে প্রবেশ করলে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে বিকট শব্দে লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ দু’টি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। হতাহত হয় শতাধিক ব্যক্তি। যদিও সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা বলা হয় ২৭ জন। পরের দিন ১৪ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ছুটে আসেন দুর্ঘটনা স্থলে। ঘোষণা দেন নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণের। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। কিন্তু ৩১ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার পায়নি ক্ষতি পূরণের টাকা। আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কিমিটির প্রতিবেদন।


স্থানীয়রা জানান, হিলি রেল স্টেশনে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনায় প্রতি বছরের ন্যয় এবারও কালো ব্যাচ ধারণসহ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।


উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, হিলি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহিদ হোসেন, হাকিমপুর পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদ খান, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারুল সহ সর্বস্তরের জনগণ।

মোঃ তাহাকিক হাসান

হিলি প্রতিনিধি

পড়ুন- বকশীগঞ্জে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন