২৪/০২/২০২৬, ১৫:৫১ অপরাহ্ণ
32 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ১৫:৫১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাজীপুর ৩ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী নিয়ে ভোটারদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

বৃহস্পতিবার রাতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা। রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার গাজীপুরের ৫টি আসনের মধ্যে জামায়াতকে দেওয়া হয়েছে ১টি বাকি ৪টি আসন রাখা হয়েছে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য।

বিজ্ঞাপন

শিল্প এলাকা হিসাবে পরিচিত গাজীপুর সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত গাজীপুর ৩ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এহসানুল হককে। প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বইছে সমালোচনার ঝর। অন্যদিকে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী করা হয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে।

গত দেড় বছর ধরে গাজীপুর ৩ আসনে ব্যাপক প্রচার ও গণসংযোগ করেছেন জামায়াতের প্রার্থী, গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমির ডক্টর জাহাঙ্গীর আলম। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক গাজীপুর জেলা সভাপতি সহ শিবির ও জামায়াতে ইসলামীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম ছোটবেলা থেকেই গাজীপুরে অবস্থান করায় স্থানীয়দের কাছে পরিচিত এবং জনপ্রিয় মুখ। জোট প্রার্থী থেকে জাহাঙ্গীর আলমের নাম বাদ পড়ায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে গাজীপুর ৩ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এহসানুল হককে। হলফনামায় মোহাম্মদ এহসানুল হকের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে শেখ সাহেব বাজার রোড, থানা নিউমার্কেট, ঢাকা। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। বয়স ৩৩ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ফাজিল (বিএ)। মোহাম্মদ এহসানুল হক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের ভাগিনা বলে জানা গেছে। প্রার্থীতার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে হলে ফোনে পাওয়া যায়নি।

শ্রীপুর পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, বিএনপি এবং জামায়াত মাঠে থাকায় নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। দুজনই উচ্চ শিক্ষিত এবং ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা প্রার্থী ছিলেন অন্যদিকে জোটের যাকে প্রাত্থী করা হয়েছে তিনি বহিরাগত হওয়ায় এলাকায় উনার পরিচিতি নেই। উনাকে এর আগে কখনো শ্রীপুরের রাজনীতিতে দেখিনি। অংশগ্রহন মুলক নির্বাচনের জন্য প্রার্থী নির্বাচনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, আপনার মুখেই প্রথম এহসান সাহেবের নাম শুনলাম। ভোটের মাঠে এলাকা একটি বড় ফ্যাক্টর। আমরা ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতার পাশাপাশি তার এলাকা বিবেচনা করে ভোট দিবো। জনপ্রতিনিধি স্থানীয় হলে এলাকার উন্নয়ন হয়। বহিরাগতরা আসে নিজেদের আখের গোছানোর জন্য, সাধারণ মানুষও তাদের বিপদে আপদে পাশে পায়না।

নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত কর্মীরা বলছেন ডক্টর জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর ৩ আসনে বিজয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী ছিলেন এখন যাকে জোটের প্রার্থী করা হয়েছে তাকে মানুষ চিনেনা। মাওলানা মামুনুল হকের ভাগিনা ছাড়া পরিচয় দেয়ার মতো কিছুই নেই। এই আসনে প্রার্থী পুনরায় বিবেচনা করার দাবি জানান তারা।

এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি গাজীপুর জেলা ও উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

আসনটিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট, বিএনপির ছাড়াও ইসলামী ঐক্যজোটের শ্রীপুর উপজেলা আমির হাফেজ মুফতি শামীম আহমেদ প্রার্থী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক বিএনপি নেতা ইজাদুর রহমান চৌধুরী।

পড়ুন- রাঙামাটিতে মিনি পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২

দেখুন- ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হা/ম/লা হতে পারে: রয়টার্স

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন