আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুর-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গন ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছে, সর্বত্র সরগম হয়ে উঠছে নির্বাচনী আলোচনা।
দীর্ঘ ২৯ পর বিএনপির দলীয় প্রতীকে ধানের শীষের
প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বেড়েছে,আগ্রহ, প্রত্যাশা ও আশাবাদ। পিরোজপুরের -০১ আসনে তৃনমুল থেকে শুরু করে জেলা শহরের দলীয় নেতা কর্মীদের মাজে ও বইছে আনন্দ উল্লাস
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই পিরোজপুর সদর, ইন্দুরকানী ও নাজিরপুর উপজেলায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এলাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিনিময়, প্রস্তুতি সভা ও সাংগঠনিক যোগাযোগ জোরদার হচ্ছে। প্রার্থীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে, যা নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনিতী সংশ্লিষ্ট স্হানীয় বয়োজ্যেষ্ঠ
মুরব্বী গন।
গ্রাম থেকে শহর সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন পিরোজপুর জেলার দানবীর খ্যাত ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিত আলহাজ্ব আব্দুস সোবহান হাজী সাহেবের সন্তান অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন এর নাম।
সাধারণ ভোটারগন ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, একজন শিক্ষাবিদ, সৎ, নির্ভীক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে আলমগীর হোসেন সাধারণ মানুষের আস্তা অর্জন করে চলছেন দীর্ঘ ২৫/৩০ বছর ধরে এবং বর্তমানে পরিনত হয়েছেন আস্থার প্রতীক হিসেবে।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক উন্নয়নের পক্ষে তার অবস্থান পিরোজপুর-১ আসনের ভোটারদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কেবল একজন রাজনৈতিক প্রার্থী নন, বরং একজন সমাজসেবক ও চিন্তাশীল নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, তরুণ সমাজকে দক্ষ ও কর্মমুখী করা, প্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং এলাকার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন এসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন।
নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও ঝোঁক বাড়ছে বলে দাবি তৃণমূল নেতাদের। চা-দোকানের আড্ডা, হাট-বাজার কিংবা সামাজিক আলোচনায় উঠে আসছে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, উন্নয়ন বৈষম্য ও অবহেলার অবসান ঘটাতে ধানের শীষকেই মানুষ তাদের প্রধান ভরসা হিসেবে বিবেচনা করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকায় নির্বাচনী প্রস্তুতিও ধাপে ধাপে জোরদার করা হচ্ছে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম সক্রিয় করার পাশাপাশি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, সুশাসন, সংস্কার ও টেকসই উন্নয়নকে মূল অঙ্গীকার হিসেবে সামনে রেখে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে বিজয়ী করতে তৃণমূল পর্যায়ে প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পিরোজপুর-১ আসনে তৃণমূল পর্যায়ে যে ইতিবাচক সাড়া ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা নির্বাচনের আগে ধানের শীষের পক্ষে শক্ত ভিত্তি গড়ে দিচ্ছে।
জনসম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক ঐক্য বজায় থাকলে এই আসনে জয়ের প্রত্যাশা আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দসব মিলিয়ে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে ঘিরে পিরোজপুর-১ আসনে যে আস্থা, উদ্দীপনা ও সমর্থন তৈরি হওয়ায় ভোটের মঞ্চে ধানের শীষের জয়ের সম্ভাবনা দিনদিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। স্থানীয় নেতা ও সমর্থকরা বলছেন, মনোনয়নের পর থেকে যে উচ্ছ্বাস ও একতা তৈরি হয়েছে, তা ভোটের দিন পর্যন্ত বজায় থাকলে পিরোজপুর-১ আসনে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের বিজয় অনিবার্য বলে মনে করছেন অনেকেই।


