বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ৫ বছরের কারাদণ্ড

ক্ষমতা হারানোর পর এবার কারাদণ্ড— দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনায় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত বছর তাকে আটক করতে তদন্তকারীদের বাধা দেয়ার দায়ে এই সাজা দেয়া হয়। তবে এটিই শেষ নয়। মূলত এটি কেবল তার বিরুদ্ধে চলমান একাধিক মামলার প্রথম রায় মাত্র।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত বছর তাকে আটক করার চেষ্টা করা তদন্তকারীদের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে শুক্রবার এই রায় দেয়া হয় বলে সিউলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ জানিয়েছে। এটি ইউন সুক ইয়োলের বিরুদ্ধে চলমান আটটি মামলার মধ্যে প্রথম সাজা।

এসব মামলার একটি বড় অংশই ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জারি করা সামরিক আইনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হয়েছে এবং সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত মাসে বিশেষ কৌঁসুলি চো ইউন-সুকের নেতৃত্বাধীন তদন্ত দল ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে ১০ বছরের কারাদণ্ডের আবেদন জানায়। তাদের যুক্তি ছিল, নিজের অপরাধ আড়াল ও বৈধতা দিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করে তিনি ‘গুরুতর অপরাধ’ করেছেন।

এদিকে চলতি সপ্তাহের শুরুতে বিশেষ কৌঁসুলিরা বিদ্রোহের অভিযোগে ইউন সুক ইওলের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন। ওই মামলার রায় আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি দেয়ার কথা রয়েছে।

সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বর্তমানে মোট আটটি মামলার মুখোমুখি। এর মধ্যে রয়েছে সামরিক আইন জারির চেষ্টা, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং ২০২৩ সালে এক মেরিন কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা।

প্রসঙ্গত, বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারিতে ইউন সুক ইয়োলকে গ্রেপ্তার ও অভিযুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রথম প্রেসিডেন্ট হন। মার্চে তাকে মুক্তি দেয়া হলেও জুলাইয়ে আবার গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কাতারের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন