বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। আজ রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান তিনি। জাভেদকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার মরদেহ এফডিসি প্রাঙ্গণে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর তাকে উত্তরায় ১২ নম্বর সেক্টর বড় মসজিদ সংলঘ্ন কবরস্থানে দফন করা হবে।
জাভেদের পরিবাররের বরাদ দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।
তিনি বলেন, ‘আজ বাদ আসর জাভেদকে এফডিসি প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। আমারা তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এফডিসিতে চলচ্চিত্রের সহকর্মী, ভক্ত এবং অনুরাগীরা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তার মরদেহ ১২ নম্বর সেক্টর বড় মসজিদ সংলঘ্ন কবরস্থানে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
কিংবদন্তি এই নায়ক দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। এছাড়া হার্টের সমস্যাও ছিল তাঁর। এর আগে দুইবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।
১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জাভেদ। তবে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমার পর দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এই নায়কের। এই সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবানা।
এছাড়া তিনি ছিলেন একজন নৃত্য পরিচালকও। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। তিনি তার অনেক কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রের জন্য বেশি পরিচিত।
জাভেদের জন্ম ১৯৪৪ সালে, ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। ১৯৮৪ সালে চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন তিনি।
পড়ুন: বাংলাদেশের সমর্থনে এবার আইসিসিকে চিঠি পাঠাল পিসিবি
দেখুন: পুলিশ-বিএনপি সং ঘর্ষে উত্তপ্ত রাজধানী
ইম/


