ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট জেলার দুইটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ০৮ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ আল-মামুন মিয়া।
রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে ০৫ জন এবং জয়পুরহ্ট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নির্বাচনে জয়পুরহাটে দুইটি আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ১৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই ও আপিল শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্তভাবে মাঠে রয়েছেন ০৮ জন প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে জেলায় আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু হলো বলে জানিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানকে ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদকে দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ)প্রার্থী ওয়াজেদ পারভেজকে মই, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) তৌফিকা দেওয়ানকে কাঁচি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহারকে ঘোড়া মার্কা প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হয়। এদিকে, জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বারীকে ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলমকে দাঁড়িপাল্লা এবং এবি পার্টির প্রার্থী এস এ জাহিদকে ঈগল মার্কা প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হয়।
এদিন সকাল ১০টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে জেলা নির্বাচন অফিসার মাহমুদ হাসান সহ জেলা বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচনের সময় আচরণ বিধি মেনে নির্বাচন করার নানা দিকনির্দেশনা মূলক মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।
পড়ুন- কিশোরগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে


