26.3 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আ.লীগ নিষিদ্ধ হোক চান না মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে বাধা দেয়া বা নিষিদ্ধের পক্ষে নন বিএনপি মহাসচিব। তার মতে এতে গণতান্ত্রিক চর্চা দুর্বল হবে। বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন কথা বলেন। অনেকে মনে করছে অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক সংস্কারে চ্যালেঞ্জে পড়বে বিএনপি। তাই সামনে দিনগুলোতে দুই দলের এক হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

রাজনীততে শেষ কথা বলে কিছু নেই। শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভুথ্যানে ক্ষমতা ছেড়ে পালান। দেশ চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। আলোচনা চলছে- দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিস্ট কায়দায় দেশ চালানো আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা এবং পরবর্তী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ নিয়ে। এমনকী আওয়ামী লীগ ও তাদের ঘনিষ্ঠ ১৪ দল নিষিদ্ধের দাবিও উঠেছে।

তবে বিএনপি এমন আলোচনা কিভাবে দেখছে? দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনে করেন, আওয়ামী লীগকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া বা ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ ঠিক হবে না। কারণ উভয় কর্মকাণ্ডই গণতান্ত্রিক চর্চাকে দুর্বল করবে।

গত মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে। জনবিরোধী কাজের ফলে তরুণ প্রজম্ম এবং জনসাধারণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মির্জা ফখরুল রাজনীতিতে আওয়ামীগের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।

পাশাপাশি তিনি এক-এগারোর মতো একটি সম্ভাব্য বিরাজনীতিকরণের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এনিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েচেন।

ফখরুল তার দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে বলেন,আমরা যদি সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র চাই তাহলে আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হবে কেন? আওয়ামী লীগের মতো পুরনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে জনগণকে তাদের ভাগ্য নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া উচিত।

আওয়ামীলীগ সম্পর্কে মির্জা ফখরুল তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালে এত বড় ঘটনা ও পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নির্বাচন বর্জন করেনি। তার মতে এটাই ছিল দলের জন্য সঠিক কৌশল।

ফখরুল বলেন, যখন একটি দল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, তখন পুনরুদ্ধারের জন্য বিভিন্ন উপায় থাকে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ সেই পথগুলির মধ্যে একটি যা এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুসরণ করা উচিত।

মির্জা ফখরুল বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা ন্যায়সঙ্গত ছিল না। জামায়াত এখন রাজনীতিতে ফিরেছে। সুতরাং, আমি বিশ্বাস করি না যে সরকারের পক্ষে এমন সিদ্ধান্ত চাপানো সঠিক পদক্ষেপ।

ব্যাক্তিগত ভাবে কোন রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে না জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব জানান রাজনৈতিক চর্চা বাধাগ্রস্ত না হলে দেশের জনগণ যেকোনো দলের অপকর্মের জবাব দেবে এবং ফ্যাসিবাদী দলের কর্মকাণ্ডের মোকাবেলার উপায় খুঁজে বের করবে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন