মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের পশ্চিম পাচখোলায় শাশুড়ীকে নিয়ে জামাই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে পশ্চিম পাঁচখোলার আউয়াল মাতুব্বরের ছেলে পিকআপ চালক রাহুল মাতুব্বরের সঙ্গে একই এলাকার প্রবাসী মনির মাতুব্বরের মেয়ে তামান্নার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। পরে তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। উভয় পরিবারের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় শাশুড়ী হোসনেয়ারার যাতায়াত ছিল নিয়মিত।
একপর্যায়ে জামাই ও শাশুড়ীর মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার ধারাবাহিকতায় প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রাহুল মাতুব্বর তার শাশুড়ী হোসনেয়ারাকে নিয়ে পালিয়ে যান।পরে (২২ জানুয়ারি) দুপুরে তারা দু’জন পুনরায় রাহুলের বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর মা ও মেয়েকে একই ঘরে রাখার ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামীর সঙ্গে মাকে ফিরে আসতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তামান্না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয়রা বলেন,“ঘটনাটি সামাজিকভাবে খুবই নিন্দনীয়। এলাকাবাসী বিষয়টির একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান চান।”
এলাকাবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপাতত মা ও মেয়েকে একই ঘরে থাকতে নিষেধ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তামান্নার বাবা প্রবাসী মনির মাতুব্বর তিন দিন আগে দেশে ফিরেছেন। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে উপার্জিত অর্থ স্ত্রী হোসনেয়ারার অ্যাকাউন্টে পাঠাতেন। এ কারণে তিনি এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
পড়ুন : স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় মাদারীপুরে সেই বাদ পড়া আলোচিত প্রার্থীসহ ৩ প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার


