০২/০৩/২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
24.8 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

তারেক রহমানের পরিকল্পনার ফ্যামিলি কার্ড হবে মা বোনদের অস্ত্র- নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার ফ্যামিলি কার্ড হবে মা বোনদের অস্ত্র। এই কার্ড দিয়ে মা বোনদের সংসারে অনেক কাজে আসবে। 

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, এমন করে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড করা হবে। যেটা দিয়ে কৃষকরা উপকৃত হবেন। স্বাস্থ্যকার্ড দিয়ে আমরা সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবো। 

তিনি উপস্থিত ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের ১৯৭১ সালের কথা মনে আছে। যুদ্ধের কথা মনে আছে। আমরা সে সময় পাকিস্তানিদের সাথে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলাম অস্ত্র ধরেছিলাম। কেউ বাহির থেকে এসে যুদ্ধ করে দিয়ে যায়নি। আমরা বাংলাদেশ ছেড়ে কোথাও যাইনি বন্ধুগণ। কিন্তু ওই সময় যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী তারা আজ দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসছে। আপনারাই বলেন, তারা স্বাধীনতার পক্ষে ছিলো নাকি বিপক্ষে ছিলো। 

মির্জা ফখরুল বলেন, আগামি ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমি এ নির্বাচনে আপনাদের কাছে ভোট চাই। আমার মার্কা আপনারা জানেন ধানের শীষ। আপনারা যখন আমাকে সমর্থন করেন তখন আমি সংসদে গিয়ে কাজ করার চেষ্টা করি। 

এই আসনে বিগত দিনে এমপি নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাওয়ার পর যেসব উন্নয়ন মূলক কাজ করেছে সেসব তুলে ধরেন মঞ্চে এসে উপস্থাপন করেন কয়েকজন ভোটার। এর মধ্যে কৃষি কাজে সেচ সুবিধার্থে বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্প সহ একাধিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন এবং নতুন উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা করেন ভোটাররা। 

নির্বাচিত হলে গ্রামীন অবকাঠামো ও সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দিয়ে কাজ করতে চেয়েছেন মির্জা ফখরুল। 

পড়ুন: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যুক্ত হচ্ছে আরও ৪ র‌্যাম্প, যানজট কমার সম্ভাবনা

দেখুন: জুলাই গণঅভ্যুত্থান শহীদ ও আহত পরিবারদের সাথে মতবিনিময় সভা |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন