ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেছেন,যাদের পেছনে সাদ্দামের মতো কর্মীরা গত ১৫ বছর রাজনীতি করেছে, যাদেরকে সাদ্দামের মতো কর্মীরা নেতা বানিয়েছে, তারা কিন্তু সাদ্দামের পরিবারের খবর নেয় নাই। সাদ্দাম ছাত্রলীগ করতো, ছাত্রদলেও তো এমন কর্মী ছিল গত ১৫ বছর। যে নেতা কর্মীর পরিবারের খবর রাখে না, যে নেতাকে নেতা বানাতে গিয়ে কর্মীর দিন শেষে কারাগারে জায়গা হয়, যে নেতাকে নেতা বানাতে গিয়ে কর্মীর স্ত্রী-সন্তানকে বিষ খেয়ে মরতে হয়, আপনারা কি সেই রকম নেতা চান?
রোববার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টি ঘরে এক নির্বাচনি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় রুমিন ফারহানা বলেন, সাদ্দামের কথা আপনারা ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে দেখেছেন। সাদ্দাম হোসেন ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিল। তার স্ত্রী নবজাতক সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যা করে। সাদ্দাম কারাগারে, তাকে একদিনের জন্যে বের করে আনবে এমন কোন নেতা ছিল না। তাকে প্যারোলে বের করে নাই, তার স্ত্রী এবং সন্তানের মৃতদেহ কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর ৫ মিনিটের জন্যে দেখতে পেরেছে।
তিনি বলেন, গত ১৫ বছর বিএনপির বড় বড় কুতুব মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল, নম্বর বিদেশি, কর্মীরা সেই নম্বর জানে না। তখন আমাকে পাইছিলেন। নেতা বাছার সময়ও সাবধানে বাইছেন, সাদ্দামের পরিণতি যেন বাংলাদেশের কোন দলের কোন কর্মীর কপালে না ঘটে।
পড়ুন : তারেক রহমানের নির্দেশে শহীদ ইমরানের পরিবারের পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপি


