২৭/০১/২০২৬, ৩:২১ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
২৭/০১/২০২৬, ৩:২১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সাদ্দামের মায়ের প্রশ্ন : এখন জামিন দিয়ে কী হবে?

কারাফটকে মৃত স্ত্রী-সন্তানকে শেষ বিদায় জানানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দামের জামিনের খবরেও কোনো উচ্ছ্বাস নেই পরিবারে। তাঁরা বলছেন, স্ত্রী-সন্তান বেঁচে থাকতে জামিন হলো না, এখন জামিন দিয়ে কী হবে?

বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে বন্দী আছেন সাদ্দাম। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় আজ সোমবার তাঁকে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। জামিন চেয়ে তাঁর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এই মামলায় নিম্ন আদালতে বিফল হওয়ার পর তাঁর জামিন চেয়ে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে আবেদনটি করা হয়। আবেদনটি আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ১৮৮ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। আগে ছয়টি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন তিনি।

জামিনের পর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে সাংবাদিকেরা গেলে সাদ্দামের মা দেলোয়ারা একরাম বলেন, ‘আমি এখন কী বলব, জামিন হইছে, আগেও জামিন চাইছি। আগে কয়েকবার জামিন হয়েছে কিন্তু বের হতে পারেনি। এখন জামিন হওয়া আর না হওয়া সমান কথা। তারপরও জামিন হয়েছে ভালো কথা, কিন্তু বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে–বউয়ের কবর, তাহলে এই জামিন দিয়ে কী হবে?’

সাদ্দামের জামিনের খবরে ‘সন্তোষ প্রকাশ’ করে তাঁর শ্বশুর জাতীয় পার্টির নেতা রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা প্যারোলে জামিন চেয়েছিলাম, সেই জামিন না দেওয়া অমানবিক বা মানবিক কাজ হয়েছে, সেই বিচার চাই রাষ্ট্রের কাছে।’

গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামদের বাড়ি থেকে স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীর (২২) ঝুলন্ত মরদেহ ও তাঁর ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন বিকেলে লাশবাহী গাড়িতে করে দুজনের লাশ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। কারাফটকে স্ত্রী-সন্তানের লাশ শেষবারের মতো দেখেন সাদ্দাম।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে জামিন দিল হাইকোর্ট

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন