২৯/০১/২০২৬, ২৩:১৩ অপরাহ্ণ
21 C
Dhaka
২৯/০১/২০২৬, ২৩:১৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আট বছরেও শেষ হয়নি মুন্সীগঞ্জের মোল্লাবাজার সেতু নির্মাণ

আট বছরেও শেষ হয়নি ধলেশ্বরী শাখা নদীর ওপর নির্মিতব্য মুন্সীগঞ্জের বহুল প্রত্যাশিত মোল্লাবাজার সেতুর কাজ। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এই সেতু নির্মাণ প্রকল্প এখনো আলোর মুখ দেখেনি। ফলে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, টঙ্গীবাড়ি ও লৌহজং উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ সড়ক পথে স্বল্প দূরত্বের যোগাযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সঙ্গে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার সংযোগস্থলে ধলেশ্বরী শাখা নদীর ওপর মোল্লাবাজার সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের জুন মাসে।


প্রকল্প অনুযায়ী সেতুটির দৈর্ঘ্য ২৫২ মিটার ও প্রস্থ ১০ মিটার। এতে ব্যয় ধরা হয় ৩৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ২০২০ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দফা মেয়াদ বাড়িয়েও তা সম্ভব হয়নি।সেতু নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে এই পথে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে করে দিন-রাত পারাপার হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নৌযানটি জরাজীর্ণ হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।সেতুটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে মাত্র ৩০ মিনিটে নির্বিঘ্নে ঢাকায় যাতায়াত করা সম্ভব হবে। অথচ বিকল্প সড়ক পথে রাজধানীতে যেতে বর্তমানে সময় লাগছে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। এতে সময়, অর্থ ও শ্রম—সব দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, বছরের পর বছর শুধু আশ্বাসই পাওয়া যাচ্ছে, বাস্তবে সেতুর সুফল মিলছে না। দ্রুত কাজ শেষ করে এই অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানান তারা।

এ রুটে চলাচলরত ভুক্তভোগী মোঃ মানিক বলেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সেতুর কাজ শেষ করে এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ নিরসন করা হউক।

আরেক ভুক্তভোগী আসাদ আলী বলেন, পদ্মা সেতু বানাতেও এত সময় লাগেনি। এই সেতু বানাতে কেন এত সময় লাগছে, সরকার কি সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে পারেনা? আমরা দ্রুত চাই ব্রিজে কাজ সম্পন্ন হউক।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, “সেতুর নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দুটি স্প্যান ও ভায়াডাক্টের কাজ শেষ করে আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যেই সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে কিছু জমি অধিগ্রহণের কাজ এখনো বাকি রয়েছে।”

পড়ুন- মসজিদের ইমামদের প্রতি গণভোটের প্রচারণার আহ্বান মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন