২৯/০১/২০২৬, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
২৯/০১/২০২৬, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বরগুনা জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. মহিব্বুলাহ হারুনের বিরুদ্ধে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে বরগুনার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তাছলিমা আক্তারের কাছে লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন পাথরঘাটা উপজেলার বড় টেংরা এলাকার মো. ইব্রাহীম।

বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. মহিব্বুলাহ হারুন বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল (এমএ) মডেল মাদ্রাসায় সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন। বরগুনা-১ আসনে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি তা প্রত্যাহার করেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বরগুনা-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের পক্ষে ২৫ জানুয়ারি বেতাগীর বিবিচিনি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় এমপিওভুক্ত বরগুনা আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মহিবুল্লাহ হারুন প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন এবং সরাসরি নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালান। তিনি একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পক্ষে জনসভায় বক্তব্য প্রদান ও প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন। যা প্রচলিত নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তার স্থায়ী বাসস্থান বরগুনা সদরে হলেও তিনি বেতাগী, বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ সংসদীয় আসনে সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী প্রচার ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। এই ধরনের কর্মকান্ড নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর ২০ (খ) ধারার পরিপন্থি। যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল (এম.এ) মডেল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. মহিব্বুলাহ হারুন বলেন, আমি শিক্ষকতা করি। বিগত ২০১৪ সালে আওয়ামী আমলে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এই সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। প্রার্থীর বৈধতা হয়েছে। প্রচারণাও চালিয়েছি। কিন্তু প্রত্যাহারের দিনে আমি আমার দলীয় নির্দেশনাক্রমে প্রত্যাহার করেছি। নির্বাচন করতে পারলাম, নির্বাচিত হতে পারলাম। আমি এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দলীয় সভায় বক্তৃতা দিতে পারব না, এটা আমার জানা নেই। আর এটা আমার বেলায় হওয়ার কথা না, কারণ আমি নিজেই প্রার্থী ছিলাম।

পড়ুন- অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি ও রশিদ জালিয়াতি: নেত্রকোনায় ডিলারদের জরিমানা

দেখুন- ইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন