২৯/০১/২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
২৯/০১/২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

অবশেষে জামিনে মুক্ত সেই সাদ্দাম

স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর চার দিন পর হাইকোর্টের আদেশে যশোর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাগেরহাটের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দাম।

জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর জেলা প্রশাসকের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আসিফ উদ্দীন।

এর আগে, গত সোমবার মানবিক বিবেচনায় হাইকোর্টের একটি ডিভিশন ফৌজদারি বেঞ্চ তার ছয় মাসের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি।

সাদ্দামের স্বজন ও কারাসূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। বাগেরহাট কারাগার থেকে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করে কারাকর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাটের বেখেডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ এবং পাশে ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্র নাজিমের নিথরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, বিষন্নতা থেকে সন্তানকে হত্যার পর স্বর্ণালী আত্মহত্যা করে। ২৪ জানুয়ারি প্যারোল না পাওয়ায় সাদ্দামের মৃত স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়। কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলগেটের ভেতরে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য সাদ্দামকে তার স্ত্রী কানিজ সুবর্না স্বর্ণালী ও শিশু সন্তান নাজিমের মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এদিন দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কারাফটকে যশোরের গণমাধ্যমকর্মীদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কারাকর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকর্মীদের মুক্তির বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ জেলার গণমাধ্যমকর্মীরাও।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সাদ্দামের মায়ের প্রশ্ন : এখন জামিন দিয়ে কী হবে?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন