৩০/০১/২০২৬, ০:০৭ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
৩০/০১/২০২৬, ০:০৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইরানের বহরে যোগ হলো ১ হাজার অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা তুঙ্গে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির নতুন পর্বে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে। এর আগে ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসন চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে গেছে ট্রাম্প প্রশাসন। হুমকি পেয়েছে কলম্বিয়া, কিউবা ও ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রিনল্যান্ড দ্বীপও।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি-ধমকিতে দমে যাওয়ার পাত্র নয় ইরান। নিজেদের যুদ্ধের সক্ষমতাকে উন্নত করতে বদ্ধপরিকর দেশটি। এরই মধ্যে অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইরানের সামরিক বাহিনীতে যোগ করা হয়েছে ১ হাজার কৌশলগত ড্রোন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইরানি সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল আমির হাতামির জারি করা নির্দেশের আওতায় কার্যক্রমে এসেছে ড্রোনগুলো। এসব ড্রোন সেনাবাহিনীর চারটি শাখার সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইরানের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে এসব ড্রোন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা ড্রোন নির্মাণে ভূমিকা রেখেছেন।

ড্রোনগুলো ধ্বংসাত্মক, আক্রমণাত্মক, গোয়েন্দা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ—এই চারটি শ্রেণিতে নকশা করা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসব ড্রোন স্থল, সমুদ্র ও আকাশসীমাজুড়ে স্থির ও চলমান যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক ড্রোন অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেয়ার পর মেজর জেনারেল হাতামি বলেন, ভবিষ্যৎ হুমকির প্রেক্ষাপটে কৌশলগত সুবিধা বজায় রাখা ও আরও শক্তিশালী করা সেনাবাহিনীর জন্য সর্বদা অগ্রাধিকার।

তিনি আরও জানান, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দ্রুত যুদ্ধ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা এবং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব প্রদান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আকাশসীমা বন্ধ করে এবার মহড়া চালাবে ইরান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন