আচরণবিধি ভঙ্গ সহ নির্বাচনী অনিয়মের নানা অভিযোগে ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পাবনা-৫ সদর আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোননীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ইকবাল হুসাইন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার দাঁড়িপাল্লার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এসময় জামায়াত প্রার্থী বলেন, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার একটি দলের পক্ষপাতদুষ্ট। বিধিবহির্ভূতভাবে নিজ উপজেলায় চাকুরী করছেন। উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ইসলামী মানসিকতার অথবা নিরপেক্ষ শিক্ষক কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন থেকে বঞ্চিত করছেন। পাশাপাশি বিশেষ একটি দলের অনুসারী শিক্ষক কর্মকর্তাদের নির্বাচনী বিভিন্ন দায়িত্ব দিচ্ছেন। তাকে দ্রুত নিজ উপজেলা থেকে বদলী করতে হবে। বদলী করা না হলে আমরা প্রয়োজনে আন্দোলনে নামব।
তিনি বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী রঙিন পোস্টারে প্রচারণা আচরণবিধি লঙ্ঘন। তবুও ধানের শীষের প্রার্থী এধরণের পোস্টারে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অসংখ্য পোস্টার তিনি টাঙিয়েছেন। গত ২৭ জানুয়ারি পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ড বুদেরহাট এলাকায় নারীদের প্রচারণায় বাধা দেয় বিএনপি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। নারীদের গায়ে হাতও তুলেছে। এছাড়া ধানের শীষের প্রার্থী নিজেই ওইদিনই হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী সভায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের শরীরের তেল চিপে বের করার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সভায় প্রকাশ্যে আমার সম্পর্কেও কটুক্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। এসব কর্মকান্ড স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। আমরা এগুলো নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবগত করলেও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর আমীর ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুল লতিফ, সদর আমীর আব্দুর রব, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রেজাউল করিম, শিবিরের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু মুছা, পাবনা পৌর সাবেক আমীর আবিদ হাসান দুলাল, সাবেক শহর শিবির সভাপতি বদিউজ্জামাল সহ সকল প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
পড়ুন: টাঙ্গাইলে ৮টি আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১৬০
দেখুন: ফরিদপুরের নর্থ চ্যানেলে পদ্মা নদীর ভাঙনে জমি, বসত ঘর |
ইম/


