১০/০২/২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
20 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

অভিবাসীদের আশ্রয় আবেদন ইতালি গ্রহণ করবে না

ইতালিতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টাকারীও অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলনি এর নেতৃত্বাধীন সরকার তাদের ঘোষিত কঠোর নীতির বাস্তবায়ন শুরু করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইতালিতে পা রাখার আগেই অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও স্থানান্তরের প্রক্রিয়া কার্যকর করা হচ্ছে।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি, মিশরীয়সহ বিভিন্ন দেশের মোট ৪০ জন অভিবাসীকে ইতালির মূল ভূখণ্ডে না এনে সরাসরি আলবেনিয়ার শেনজিন ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এই পদক্ষেপ ইতালি ও আলবেনিয়ার মধ্যকার বিশেষ দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এই চুক্তি অনুযায়ী, ইতালির ঘোষিত সেফ কান্ট্রি তালিকাভুক্ত দেশ থেকে আগত অভিবাসীদের আশ্রয় আবেদন ইতালিতে গ্রহণ না করে আলবেনিয়ার বিশেষ ক্যাম্পে যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে যাদের আবেদন অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, তাদের দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

এই ৪০ জন অভিবাসীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। তারা ইতালির উপকূলে পৌঁছানোর আগেই ডিটেনশন প্রক্রিয়ার আওতায় পড়েছেন এবং ইতালিতে অবস্থানের কোনো সুযোগ পাননি।

এর আগে ইতালির আদালত এই প্রক্রিয়ায় সাময়িক বাধা সৃষ্টি করলেও, ২০২৬ সালের নতুন আইনি সংস্কারের পর সরকার আবারও এই নির্বাসন কার্যক্রম চালু করেছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এর মূল উদ্দেশ্য হলো অবৈধ অনুপ্রবেশ নিরুৎসাহিত করা এবং মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া।

এই পরিস্থিতিতে প্রবাসী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। দালালের মাধ্যমে বা সাগরপথে ইতালিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে এখন আর মূল ভূখণ্ডে থাকার কোনো সুযোগ নেই। নৌপথে ধরা পড়লে সরাসরি আলবেনিয়ার ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে এবং সেখান থেকেই দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ইতালি সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দেশটিতে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই বৈধ ভিসা ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসতে হবে। অবৈধ পথে প্রবেশ এখন আগের চেয়ে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং আইনগতভাবে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

পড়ুন- কুষ্টিয়ায় গ্রামসরকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন