মব সৃষ্টি করে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির (এ) মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। আজ দুপুরে শহরের ইকু হেরিটেজ হোটেল এন্ড রিসোর্টে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিদ্দিকুল আলম বলেন, আমি একজন সাবেক সংসদ সদস্য এবং রংপুর বিভাগের একজন সেরা করাদাতা। আমি এবারেও নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির (এ) মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হয়েছি। নির্বাচনি প্রচার প্রচারণার শুরু থেকে আমি ভোটারদের ব্যাপক সাড়াও পাচ্ছি। আর এতে আমার প্রতিন্দন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার ঈষান্বিত হয়ে পড়েছেন। নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা শুরু থেকে আমার বিজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নির্দেশে তাঁর কর্মী ও সমর্থকেরা আমার নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় নানাভাবে বাঁধার সৃষ্টি করে আসছেন। গত রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে আমি নীলফামারী-৪ আসনের নির্বাচনি এলাকার কিশোরগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডী ইউনিয়নের মাষ্টারপাড়ায় সনাতন ধর্মাবম্বলবীদের একটি অষ্টপ্রহর অনুষ্ঠানে যোগদানের উদ্দেশ্যে গাড়িতে করে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর নির্দেশে তাঁর কিছু দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা আমার গাড়িতে অবৈধ অস্ত্রবহন করা হচ্ছে দাবি করে আমার নির্বাচনি প্রচারণা কাজে বাঁধা ও মব সৃষ্টি করেন। এ সময় তারা আমার গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর চালায় এবং আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর চড়াও হয়ে মারপিট করে। এতে আমার কয়েকজন কর্মী সমর্থক আহত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমার জীবনের নিরাপত্তায় আমি একটি বৈধ অস্ত্রসহকারে একজন গানম্যান সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় অংশ নিচ্ছি। আমার গানম্যান আব্দুর রাজ্জাক সেনাবাহিনীর সাবেক একজন সদস্য। এ ঘটনায় তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মাসুদ রানা কিশোরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পড়ুন- বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ; নেত্রকোনায় কৃষকদল ছেড়ে জামায়াতে ১০ নেতাকর্মী


