জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এ দেশের পরীক্ষিত, পরিচিত প্রমানিত, যারা ন্যায়ের পক্ষে সত্যের পক্ষে হকের পক্ষে মদিনার আদলে ইনসাফ কায়েমের পক্ষে যারা থাকবেন, এবার বাংলাদেশের জনগণ সিদ্বান্ত নিয়েছে তারা তাদের পক্ষে থাকবে ইনশাল্লাহ।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, যারা ৫ আগষ্টের পর জনগণের মাল খামছে, খাবলে, কামড়ে খাওয়ার জন্য চতুর্দিকে তারা চাদাঁ বাণিজ্য শুরু করেছে ওদেরকে দিবেন? যারা মামলা বাণিজ্য করে নিরীহ মানুষকে হয়রানী করে তাদেরকে দিবেন? যার দূর্নীতিবাজ এবং ঋণখেলাপীদেরকে বগলের নীচে নিয়ে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বলে ওদেরকে দিবেন?তাই গণজোয়ার শুধু ময়মনসিংহ না, সারা বাংলাদেশের একই চিত্র।
যুবকরা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, আমরা আর ধান্দাবাজি, ধাপ্পাবাজি রাজনীতির সাথে নাই। আমরা কোনো কার্ড এবং বেকার ভাতার সাথেও নাই। আমরা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই। সেই নতুন বাংলাদেশ হবে ২৪ এর আকাংখার বাংলদেশ ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, জনগণ পুরানো পচা রাজনীতি আর চায় না। পরিবার ব্যক্তি গোষ্টী কেন্দ্রীক রাজনীতি আর চায় না। জনগণ জনগণের সরকার দেখতে চায়। আমরা একটা ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই।
আগের ২৩ বছর আর পরের ৫৪ বছর, এই ৭৭ বছল আমরা দেখেছি। আপনারা কি এ পুরানো রাজনীতি এই বাংলাদেশে আবার চান। আমাদের যুবক যুবতীরা চায় না। তরুণ-তরুনীরা চায় না। এমনকি শিশুরাও চায় না। আমাদের মা বোনেরাও চায় না। এই বাংলাদেশের পরিবর্তন চায়। এবারকার নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন না। এবারকার নির্বাচন জাতির কিসমত উপযুক্ত রাস্তার ওপর দাড় করানোর নির্বাচন। দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসক কথা বলেন তিনি।
মহানগর জামায়াতের আমীর ও ১১ জোটের দাড়িপাল্লার ময়মনসিংহ ৪ সদর আসনের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটয়ারি ও ময়মনসিংহ ৫ আসনের দাড়িপাল্লার মনোনীত প্রার্থী এডভোকেক মতিউর রহমান আকন্দ,জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিম প্রমুখ।পরে ১১টি সংসদীয় আসনসহ নেত্রকোনা জেলার ১১ দলীয় প্রার্থীদের হাতে প্রতিক তুলে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
পড়ুন- মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উদযাপিত
দেখুন- বুকে পাথর চাপা দিয়ে তারা এখন ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে কথা বলছে: সাদিক কায়েম


