বেকাদের হাতে এ বাংলাদেশ তুলে দিবো না।ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিবো ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন,সেদিন ফেলানীর বাবা মায়ের চোখের পানি দেখেছি। ওটি পানি ছিল না, ওটি ছিল রক্ত। ও ফেলানী, আল্লাহ তোমাকে জান্নাত নসীব করুক। আর কোন ফেলানীকে কাটাঁতারে ঝুলেতে হবে না। প্রতিবেশিকে বন্ধু মানী, কোন গোলামী মানি না। বন্ধু থাকবে , প্রভু থাকবে না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ায়ী) সকাল ১১ টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী জনসভায় এমন মন্তব্য করেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়েতের আমীর আরো বলেন, আর কোন আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবো না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই মিলে গড়ব বাংলাদেশ। যেখানে থাকবে না কোন বৈষম্য।
কুড়িগ্রাম বাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের কোন দাবী করতে হবে। কুড়িগ্রামের তিনটি দুঃখ। এই দুঃখ দূর করবো ইনশাআল্লাহ। নদীকে আমরা শাসন করব। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কুড়িগ্রাম থেকে শুরু হবে উন্নয়ন । কুড়িগ্রাম হবে উত্তর বঙ্গের কৃষি শিল্পের রাজধানী। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ^বিদ্যালয়কে করা হবে আরো আধুনিক।এর পর কুড়িগ্রামের চারটি আসনের প্রার্থীদেরকে দলীয় ও জোটের প্রতিক তুলে দিয়ে জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন। জামায়েতের আমীর নিজেই স্লোগন তুলেন এবং গণভোটের পক্ষ্যে ভোট চান। তিনি আরো বলেন, হ্যাঁ ভোটে আজাদী, না ভোটে গোলামী।
১১ দলীয় নির্বাচনী জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আক্তার হোসেন সহ জোটের অন্যান্য জাতীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচনী জন সভা সফল করতে জেলার ৪ টি আসনের জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের অনান্য নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন- ভোটের মাঠে তিন প্রজন্ম
দেখুন- বুকের পাটা থাকলে বায়তুল মোকাররমে আসেন: মির্জা আব্বাস


