বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট, জবাই করে হত্যার হুমকি

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নে চলাচলের জায়গায় গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে কৃষকের বসত বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই কৃষককে বাড়ি ছাড়ার হুমকিও দেওয়া হয়। বাড়ি না ছাড়লে স্বপরিবারে জবাই করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মজিবুল হক।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের মজিবুল হকের বাড়িতে এই এই হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার মজিবুল হক (৫৫) সদর উপজেলার মুরাদনগর গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কৃষক। অপরদিকে অভিযুক্ত হামলাকারীরা হলেন, মুরাদনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. মাসুদ (২৫), কামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সুমন (৩৫), মো. রাজন (২৮) , মো. রিপন (২৫) ও শিপন (১৮)।

ভুক্তভোগী মজিবুল হক অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা তার প্রতিবেশী হন। তিনি তার বাড়ির আঙ্গিনায় পালিত গরু বাঁধলে চলাচলের পথ দাবি করে প্রতিবেশী জসিম উদ্দিনের ছেলে মাসুদ গালমন্দ শুরু করে। এসময় তিনি তাকে গালমন্দ না করতে বারণ করলে অভিযুক্ত অপরাপর ব্যক্তিরা জড়ো হয়ে পরিকল্পিতভাবে তার বসত ঘরের দরজা, বেড়া, দেওয়াল ভাঙচুর করে ঘরের আসবাবপত্র ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এসময় হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে তারা তাকে এলাপাতাড়ি মারধর ও গলাচিপে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে ভুক্তভোগীকে হামলাকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগী মজিবুল হক অভিযোগ করেন- অভিযুক্তরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে তাকে নানা ইন্স্যুতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হুমকি দিয়ে আসছেন। গতকালও তারা হামলা ও লুটপাটের পর তিনি এবং তার পরিবারকে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্ব চলে যেতে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বাড়ি না ছাড়লে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের জবাই করে হত্যার হুমকি দেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তপূবর্ক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ভুক্তভোগী মজিবুল হক।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এই ধরনের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূবর্ক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন:মুন্সিগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের চাপায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত, সড়ক অবরোধ

দেখুন:‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেই ৫ বছরের কারাদণ্ড 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন