বিজ্ঞাপন

ফ্যামিলি কার্ডের নামে ভুয়া কার্ড বিলাচ্ছে বিএনপি: ইসহাক খন্দকার

ফ্যামিলি কার্ডের নামে বিএনপি ভুয়া কার্ড বিলাচ্ছে মন্তব্য করে নোয়াখালী-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এবং দলটির মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা আমির মো. ইসহাক খন্দকার বলেছেন- তারা কী কোনো সংস্থা, নাকি সরকারে এসে গেছেন। প্রতারণার এ কার্ড দিতে আবার চাঁদাও নিচ্ছে। নারীদের মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছেন। আমরা এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নোয়াখালী জেলা জামায়াত কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ইসহাক খন্দকার আরো বলেন, ওই দলের প্রধান নিজের অফিস থেকে জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক করে এখন নিজেই বিষোদ্‌গার করছেন। আইডি হ্যাক হয়েছে একটা সত্য কথা। যা সংবাদ সম্মেলন থেকেও বলা হয়েছে। তারপরও ওই দলের প্রধান নেতা হ্যাকের বিষয়টি নিয়ে আর ট্রল করতে পারেন না। ওই দলে আরও ছোট নেতা আছে যাদেরকে দিয়ে তিনি বলাতে পারতেন।

তিনি বলেন, ওই প্রধান নেতা যে ভাষায় কথা বলেছেন, তা তিনি জামায়াত আমিরকে বলতে পারেন না। এ ঘটনা নিয়ে গ্রেফতারও হয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। আসলে ওই দলের প্রধান নিজের অফিস থেকে নিজের লোক দিয়ে হ্যাক করে এখন নিজেই বিষোদ্‌গার করছেন।

ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, জামায়াত আমির নারীদের প্রতি অত্যন্ত বিনয়ী। তিনি এ ধরনের কথা বলতে পারেন না, তা বুঝাই যায়। এখন কারা ধরা পড়ছে তা সবাই দেখছে। আমাদের লোকও তদন্ত করছে। সব বের হবে। তখন সবাই পরিষ্কার হয়ে যাবেন কারা, কেন এ কাজ করেছে।

১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, আমাদের নোয়াখালীতে ছয়টি আসনের সবগুলোতেই আমাদের নারী কর্মীদেরকে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। অনেক জায়গায় আমাদের মা-বোনদের অপমান করেছে। আমরা এ ব্যাপারে থানায় জিডি করেছি। আমরা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত।

সভায় নোয়াখালী-৩ আসনের ‌‌১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জামায়াতের মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহমদ চেয়ারম্যান, প্রচার বিভাগের প্রধান ডা. বোরহান উদ্দিন, নোয়াখালী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা ইউসূফ, জামায়াত নেতা সাংবাদিক আবু তাহের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- সোনার দামে আবার বড় লাফ

দেখুন- ইরানের বিশ সাফল্য শত্রুর বিষ 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন