০৯/০২/২০২৬, ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
০৯/০২/২০২৬, ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন ও গণভোটে থাইল্যান্ডে চলছে ভোটগ্রহণ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে শুরু হয়েছে বহুল আলোচিত সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদী আবহের মধ্যে সংস্কারপন্থি, সামরিক-সমর্থিত রক্ষণশীল এবং জনতাবাদী— এই তিন ধারার রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতার দখল নিতে মুখোমুখি হয়েছে। ভোটের ফলাফলে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে জোট সরকার গঠনই হতে পারে অনিবার্য বাস্তবতা। এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে সংবিধান বদলের প্রশ্নে একটি গণভোটও হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোটকেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগাম ভোটগ্রহণ পর্বে ইতোমধ্যে ২২ লাখের বেশি ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন।

থাইল্যান্ডে এবারের সাধারণ নির্বাচনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লাখ এবং ধীরগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তীব্র জাতীয়তাবাদী আবহের প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যদিও ৫০টিরও বেশি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, বাস্তবে কেবল তিনটি দল— পিপলস পার্টি, ভূমজাইথাই এবং ফেউ থাই দেশজুড়ে সংগঠন ও জনপ্রিয়তার কারণে সরকার গঠনের মতো ম্যান্ডেট পাওয়ার অবস্থানে রয়েছে।

অবশ্য ৫০০ আসনের এই সংসদে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না বলে জরিপগুলোতে ইঙ্গিত মিলছে। ফলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে জোট সরকার গঠনের আলোচনা প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

আল জাজিরা বলছে, নাথাফং রুয়াংপানইয়াওয়ুতের নেতৃত্বে সংস্কারপন্থি পিপলস পার্টিই সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দলটির সংস্কারমূলক কর্মসূচি, বিশেষ করে সামরিক বাহিনী ও আদালতের প্রভাব কমানো এবং অর্থনৈতিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে তারা একজোট হয়ে পিপলস পার্টিকে ক্ষমতার বাইরে রাখার চেষ্টা করতে পারে।

পড়ুন: ক্ষমতায় গেলে সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করবে না বিএনপি: তারেক রহমান

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন