০৯/০২/২০২৬, ২৩:২৯ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
০৯/০২/২০২৬, ২৩:২৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালু করল জাপান

জাপান বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পুনরায় চালু করেছে। সামান্য কারিগরি ত্রুটির কারণে এর আগে কেন্দ্রটি চালুর প্রথম উদ্যোগ স্থগিত করা হলেও প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষে সোমবার আবার চালু করা হয় বলে জানিয়েছে পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো)।

বিজ্ঞাপন

এএফপির খবরে বলা হয়, নিগাতা প্রদেশে অবস্থিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় পুনরায় কার্যক্রম শুরু করে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার একটি অ্যালার্ম-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ২০১১ সালের ফুকুশিমা দুর্ঘটনার পর প্রথমবারের মতো কেন্দ্রটি চালুর প্রচেষ্টা বন্ধ হয়ে যায়।

২০১১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির ফলে ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রে তিনটি রিয়্যাক্টর গলে যাওয়ার পর জাপান ব্যাপকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। সে সময় থেকেই কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া

কেন্দ্রটি কার্যত অচল ছিল। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নতুন প্রযুক্তির কারণে বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে দেশটি আবার পারমাণবিক শক্তির দিকে ঝুঁকছে।

টেপকো জানায়, গত ২১ জানুয়ারি কেন্দ্রটির সাতটি রিয়্যাক্টরের একটি চালু করার সময় একটি কেবলে বিদ্যুৎ প্রবাহের সামান্য পরিবর্তন ধরা পড়ায় অ্যালার্ম সক্রিয় হয়। যদিও সেটি নিরাপদ সীমার মধ্যেই ছিল, তবু সতর্কতামূলকভাবে রিয়্যাক্টরটি বন্ধ রাখা হয়। পরে অ্যালার্মের সেটিংস সমন্বয় করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ রিয়্যাক্টরটিকে নিরাপদ বলে নিশ্চিত করেছে।

টেপকোর কর্মকর্তারা জানান, আরেক দফা পূর্ণাঙ্গ পরিদর্শন শেষ হলে আগামী ১৮ মার্চ বা তার পর কেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে। এরই মধ্যে রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।

পড়ুন:স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন বাংলাদেশী আবু মিরন

দেখুন:স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন বাংলাদেশী আবু মিরন

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন