১০/০২/২০২৬, ০:০৪ পূর্বাহ্ণ
22 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ০:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ওমানকে উড়িয়ে দিল জিম্বাবুয়ে

এক আসর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তন দারুণ জয়ে রাঙাল জিম্বাবুয়ে। কলম্বোয় ওমানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে বড় জয় পেল জিম্বাবুয়ে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোয় গ্রুপ বি’র ম্যাচে ওমানের মুখোমুখি হয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ম্যাচটিতে পরে ব্যাট করে ৮ উইকেট ও ৩৯ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছে সিকান্দার রাজার দল।

এদিন টস জিতে ওমানকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় জিম্বাবুয়ে। ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯.৫ ওভারে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ওমান।

জবাবে ব্রায়ান বেনেট ও ব্রেন্ডন টেইলরের দারুণ ব্যাটিংয়ে ১৩.৩ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।

গত আসরে বাছাই পর্ব পার হতে ব্যর্থ জিম্বাবুয়ে এবার সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে বেশ গোছানো দল নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেছে। যার প্রমাণ পাওয়া গেল প্রথম ম্যাচেই। আইসিসির সহযোগী সদস্য ওমান পাত্তাই পেল না আফ্রিকান দলটির কাছে।

টস হেরে আগে ব্যাট করা ওমান জিম্বাবুয়ের তিন পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্রাড ইভান্সের তোপের মুখে পড়েন। তিনজনই সমান ৩টি করে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন। মাত্র ২৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ওমান।

ওমানের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি। দুই ওপেনার আমির কালিম ও জিতেন্দর সিং ৫ রান করে করেন। তিন ও চারে নামা হাম্মাদ মির্জা ও করণ সোনাভালে রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ওয়াসিম আলী করেন ৩ রান।

ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন সুফিয়ান মাহমুদ ও বিনায়ক শুক্লা। ৪২ রানের জুটি গড়েন তারা। ২১ বলে ২৮ রান করা বিনায়ক আউট হলে এই জুটি ভাঙে। সেই ওভারে জিতেন রামানান্দিরেও ফেরান এনগারাভা।

দলীয় ৭৬ রানে বিদায় নেন সুফিয়ান। ইভান্সের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ বলে ২৫ রান করেন তিনি।

শেষদিকে নাদিম খানের ১৮ বলে ২০ রানে ১০০ পেরোয় ওমানের ইনিংস। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন নাদিম।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে মুজারাবানি ১৬ রান, এনগারাভা ১৭ রান ও ইভান্স ১৮ রান খরচায় ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। বাকি উইকেটটি যায় সিকান্দার রাজার ঝুলিতে।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝড় তোলেন তাদিওয়ানাসে মারুমানি। কিন্তু সুফিয়ান চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই তাকে ফেরান। তার আগে ১১ বলে ৫ চারে ২১ রান করেন মারুমানি। এক বল পরে ডিওন মায়ার্সকেও (০) ফেরান সুফিয়ান।

জোড়া ধাক্কার পর অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলরকে নিয়ে জুটি গড়েন বেনেট। এই জুটিতে ভর করে নিরাপদেই জয়ের পথে ছুটছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু জয় থেকে ৬ রান দূরে থাকতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন (রিটায়ার্ড হার্ট) টেইলর। তার আগে ৩০ বলে ৩ চারে করেন ৩১ রান।

অধিনায়ক রাজাকে (২ বলে ৫) নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন বেনেট। ৩৬ বলে ৭ চারে ৪৮ রান করেন এই ওপেনার। এদিন শন উইলিয়ামসকে পেছনে ফেলে জিম্বাবুয়ের পক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েন রাজা। জিম্বাবুয়ের পুরো ইনিংসে নেই কোনো ছক্কার মার। ওমানের ইনিংসে ছিল একটি। ম্যাচের একমাত্র ছক্কাটি আসে নাদিম খানের ব্যাট থেকে।

সুফিয়ান মাহমুদ ৩ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : অদম্য কাপের ফাইনাল বয়কটের সিদ্ধান্ত ক্রীড়া সাংবাদিকদের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন