26.7 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভোট যাত্রায় ঈদের মতো জনস্রোত সদরঘাটে

ঈদের চেয়েও মনে হচ্ছে অনেক বেশি ভিড়। পরিববারের তিনজনকে নিয়ে সেই সকালে বের হয়েছি। পাঁচ ঘণ্টার মতো সায়দাবাদ-যাত্রাবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ির একটা টিকেট সংগ্রহ করতে পারিনি। তাই এখন লঞ্চে করে বাড়ি যাবো। জীবনে কখনো ভোট দিতে পারিনি তাই এবার এতো কষ্ট হলেও বাড়ি গিয়ে ভোট দেবো। এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কী আছে।

সন্ধ্যায় রাজধানীর সদরঘাটে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন সোহেল আহমেদ নামে এক তরুণ।

সোহেল যাবেন পটুয়াখালী। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সবজি বিক্রি করেন তিনি। স্ত্রী ও মাকে নিয়ে সকাল ৯টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়ে সারাদিন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করেও অতিরিক্ত ভাড়া ও গাড়ি সংকটে বাড়ি যেতে পারেননি তিনি। তাই বিকল্প পথে লঞ্চে করে সারাদিনের ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই জীবনের প্রথম ভোট।

এদিকে সদরঘাটে লঞ্চগামী যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় টার্মিনালের ফল বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, ভোটকে সামনে রেখেই গত কয়েকদিন ধরেই ঈদের মতো লঞ্চে করে মানুষ বাড়ি যাচ্ছে। গতকালও অনেক ভিড় হয়েছে। আজও অনেক ভিড়, যে ভিড় ঈদের সময় ছাড়া চোখে পড়ে না। আমাদের বেচাকেনাও বেড়েছে কয়েকদিন ধরে।

এর আগে পুরান ঢাকায় দুপুরের পর থেকেই প্রচণ্ড যানজট দেখা দেয়। সকলের গন্তব্য সদরঘাটের দিকে। সন্ধ্যা নামলেই বাড়তে থাকে সদরঘাটে যাত্রীচাপ।

জানা গেছে, সদরঘাট থেকে ৩২টি রুটে নিয়মিত যে লঞ্চ চলে তার থেকে আজ দ্বিগুণ লঞ্চ দেওয়া হয়েছে যেন যাত্রীরা সুন্দরভাবে বাড়িতে যেতে পারে৷ যেমন বরিশালে প্রতিনিয়ত দুইটি লঞ্চ চলে কিন্তু আজ ৭টি লঞ্চ ছেড়ে যাবে, বেতুয়ার উদ্দেশ্যে ৬টি অন্যদিন যেখানে দুইটি লঞ্চ ছেড়ে যায়। এভাবে প্রতিটি রুটেই স্পেশাল লঞ্চ দেওয়া হয়েছে। কোনো লঞ্চে যেন অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে পারে সেজন্য বড় আকারে ভাড়ার চার্ট টানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে। চাইলেও অতিরিক্ত ভাড়া নিতে পারবে না কেউ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভোট দিতে গ্রামে যাচ্ছে মানুষ, মহাসড়কে যাত্রীর ঢল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন