বিজ্ঞাপন

সহজ জয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু চোট জর্জরিত অস্ট্রেলিয়ার

চোটের কারণে আগেই দুই তারকা পেসার জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্সকে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নামার ১৫ মিনিট আগে ছিটকে যান অধিনায়ক মিচেল মার্শ। তারপরও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে কোনো বেগ পেতে হয়নি অজিদের।

কলম্বোয় বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো অস্ট্রেলিয়া। ১৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৬.৫ ওভারে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১১৫ রানে থামে আইরিশরা। অজিদের সহজ জয়ের পথে বল হাতে নৈপুণ্য দেখান নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা। এলিস ১২ রান খরচায় ৪ আর জাম্পা ২৩ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন।

এদিন রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই অজি বোলারদের তোপে পড়ে আইরিশরা। মাত্র ২৭ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। তার ওপর রিটার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক পল স্টার্লিংও। তাতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় অজিরা। আট নম্বরে নামা জর্জ ডকরেল ২৯ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে কেবল হারের ব্যবধান কিছুটা কমান। ৩ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংসটি। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন লর্কান টাকার। এছাড়া সমান ১২ রানের ইনিংস খেলেন রস অ্যাডায়ার ও মার্ক অ্যাডায়ার।

এর আগে নিয়মিত অধিনায়কের অনুপস্থিতিতে টস জিতে ট্রাভিস হেডের নেতৃত্বে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া। ব্যাট হাতে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ব্যর্থ হলেও দলের বাকিরা নৈপুণ্য দেখান। হেড ৭ বলে ৬ রান করে আউট হন। ২৯ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন মার্কাস স্টয়নিস। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন জশ ইংলিস। এছাড়া ৩৩ বলে ৩৭ রানের ইনিংস উপহার দেন ম্যাট রেনশ। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান তুলতে সক্ষম হয় অজিরা।

আইরিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নিতে ৪৪ রান খরচ দেন মার্ক অ্যাডায়ার। ১টি করে উইকেট নেন ম্যাথিউ হামফ্রিস, জর্জ ডকরেল ও হ্যারি টেক্টর।

শুক্রবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে অস্ট্রেলিয়া। পরের দিন প্রথম জয়ের খোঁজে ওমানের মুখোমুখি হবে আয়ার‌ল্যান্ড।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিয়ে পাকিস্তানের দুইয়ে দুই

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন