১২/০২/২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ ঝাড়লেন সারজিস আলম

পঞ্চগড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অপসাংবাদিকতার অভিযোগ তুলে মধ্যরাতে ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষোভ ঝেড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নিজের ব্যক্তিগত আইডি থেকে লাইভে এসে তিনি স্থানীয় রাজনীতি ও এক শ্রেণির সংবাদকর্মীর ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। এ সময় তার সঙ্গে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইনকে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

সারজিস অভিযোগ করে বলেন, আমরা দেখছি বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী তাদের জায়গা থেকে পেশীশক্তির প্রয়োগ করে অনেক ভোটারকে ভয় দেখাইতে চায় এবং প্রতিপক্ষ দলের লোকদের হুমকি দিতে চায়। হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি পর্যন্ত করে এবং বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে। এমনকি তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার পর্যন্ত হুমকি দিচ্ছে। আজকে এ রকম ঘটনাই ঘটেছে পঞ্চগড় পৌর এনসিপির সেক্রেটারি আমিনুর রহমান রিলুর সঙ্গে।

তিনি বলেন, সেখানে পঞ্চগড় জেলার সাংবাদিক নামের নির্বাচন কেন্দ্রিক কার্ডধারী কিছু লোকজন গিয়েছিল। যাদের গলায় সাংবাদিকের কার্ড ছিল, কিন্তু তারা এমন কিছু চ্যানেল, পত্রিকা বা পেইজের সাংবাদিক- যেগুলোর নাম হয়তো বাংলাদেশে কেউ কোনদিন শোনেনি। তারা তাদের জায়গা থেকে ফুল টাইম করে পলিটিক্স। ৯৯ শতাংশ করে দালালি তোষামোদি, আর এক শতাংশ সময়ের প্রয়োজনে হঠাৎ করে গলায় একটা কার্ড ঝুলিয়ে তারা সাংবাদিক হয়ে যায়।

সারজিস আলম বলেন, যারা সম্মানিত সাংবাদিকদের আমরা শ্রদ্ধা করি। কিন্তু যারা ৯৯ দিন রাজনীতি করবে, দালালি করবে, তোষামোদি করবে, আর একদিন সময়ের প্রয়োজনে সাংবাদিক হয়ে যাবে- এইরকম যে লোকজন আছে, আজকে তারা তাদের জায়গা থেকে বিরাট একটা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে। পঞ্চগড়ে সাংবাদিক নামক যে সাংঘাতিক গুলো তৈরি হয়েছে তাদের থেকে আমাদের মুক্তি লাগবে। পঞ্চগড়ের পুরনো রাজনৈতিক শকুন যারা তাদের থেকে মুক্তি লাগবে।

এর আগে, রাত ১১টার দিকে তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেন- ‘বিএনপির সন্ত্রাসী ক্যাডাররা পঞ্চগড় পৌর-এনসিপির সদস্য সচিবকে হুমকি দিয়ে এইমাত্র ২০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে গিয়েছে!’ এই পোস্ট দেয়ার কিছুক্ষণ পরই জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইনসহ পৌর এনসিপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান রিলুর বাসায় যান

সেখানে সারজিসের উপস্থিতি দেখে সেখানে বিএনপির স্থানীয় কর্মী সমর্থকরা জড়ো হয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। অভিযোগ তুলেন- সারজিস ওই বাড়িতে টাকার বস্তা নিয়ে ঢুকেছেন।

এদিকে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শঈমী ইমতিয়াজ ঘটনাস্থলে যান। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পড়ুন:এশিয়ায় ‘রক্ষণশীলদের’ জয়, সংস্কার নাকি স্থিতিশীলতা কী চাইছেন ভোটার

দেখুন:নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন