সারা দেশের মতো পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতেও উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকেও ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটাররা ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে আসছে। তবে জেলা শহর থেকে গ্রামের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সারি লক্ষ্য করা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাঙামাটি জেলা শহরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি আছে, তবে কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্রের বাহিরে মানুষের জটলা দেখা গেছে।
অন্যদিকে, দুপুর ১২টায় সাপছড়ি ইউনিয়নের শুকরছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে ভোটারদের দীর্ঘ সারি। ভোটকেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ১ হাজার ৯৪ জন, ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৪০। ভোটের সংখ্যা ৩১ শতাংশ। ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩১ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের হাজাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে ভোটারদের কোনো সারি না থাকলেও ভোটাররা এসেই ভোটকক্ষে প্রবেশ করছেন। যাবতীয় কার্যক্রম শেষে ভোট প্রদান করছেন। এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৩৯জন ভোটার থাকলেও দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১ হাজার ৩৩৫ টি। যা মোট ভোটের ৪২ শতাংশ।
জানতে চাইলে হাজাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সোহেল বড়ুয়া বলেন, সকালে ভোটারদের উপস্থিতি ভালো থাকলে এখন কিছুটা কমেছে।
যদিও গ্রামের কেন্দ্রগুলোতে ধানের শীষ ও ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী ছাড়া বাকিদের পোলিং এজেন্ট কয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া তেমন ছিল না।
এদিকে, সকালেই এই আসনের প্রার্থীরা নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। এখনো পর্যন্ত পুরো জেলায় কোনো ধরনের অপ্রতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
তরুণ ভোটার রয়েল চাকমা বলেন, সুন্দর পরিবেশে ভোট দিয়েছি। নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। ভোট দিতে কোনো ঝামেলা হয়নি। নতুন ভোটার উজ্জ্বল চাকমা বলেন, প্রথম ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগতেছে।
এদিন সকালে জেলা শহরের কাঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র এবং রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটির রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী।
পড়ুন: ইন্ডিয়া টুডের নিবন্ধ: জামায়াতের বিস্ময়কর উত্থান
আর/


