ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১ টার দিকে শহরের থানা রোডস্থ নির্বাচনী অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন- কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জাবেদ আলী, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিএনপি কর্মী খোকন হোসেন ও তার ছেলে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ইবন হোসেন। আহতরা সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী আবু তালিব নির্বাচিত হন। সেখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর শুক্রবার সকালে ধানের শীষের কয়েকজন সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। সে সময় ৪ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। থানার ১০০ গজ দুরে ঘটনা ঘটলেও ১ ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে রেফার করা হয়েছে। এরমধ্যে গুরুতর আহত ইবনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, নির্বাচনের পরের দিন তার নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হয়েছে। বিষয়টি হামলার বিষয়ে আগে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বরং হামলার দুই ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে আসে। অফিসে ঢুকে তারা হামলা চালিয়েছে। যারা হামলা চালিয়েছে তারা চিহ্নিত হয়েছে। কিন্তু তাদেরকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। এভাবে চলতে থাকলে এই আসনে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে। তিনি অবিলম্বে ওসি প্রত্যাহারের দাবি জানান।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


