দীর্ঘ প্রতিক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন হতে ব্যারিষ্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ’র নিরঙ্কুশ ভোটে বিজয়ের পর এবার শপথ নেয়ার পালা। সেজন্য শুক্রবারই তিনি লঞ্চযোগে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছেন। সব ঠিকঠাক থাকলে রোববার জাতীয় সংসদে সাংসদ হিসেবে শপথ নেবেন ভোটবিজয়ী তরুন এ নেতা। বৃহস্পতিবার ভোলার মানুষ তাকে ভোট দিয়ে ভালোবাসার বিজয় উপহার দিয়েছেন। তারা আন্দালিভ পার্থর হাতেই আগামী উন্নয়ন রুপকল্পের চাবি তুলে দিয়েছেন। গত ২৫ জানুয়ারী থেকে ভোলায় এসে একটানা ১৫ দিন নিজ এলাকায় জনসংযোগে ভোটের প্রচারনা চালিয়ে লাখো নারী-পুরুষের মনের গহীনে অবস্থান করে নেন ভোলার উন্নয়নের প্রয়াত কিংবদন্তি নাজিউর রহমান পুত্র আন্দালিভ রহমান পার্থ। অকুতোভয় বাবা’র হাত ধরেই বেড়ে উঠা পার্থর মাঝে ভোলার মানুষ যেনো তাদের প্রিয় হৃদয় স্পন্দন সেই নাজিউরকেই খুঁজে পেয়েছেন। তাইতো উন্নয়ন আর উন্নতির এক নতুন সারথীকে বেঁছে নিয়ে ভোলাবাসী ফের বিজয়ের মুকুট পড়ালেন আন্দালিভের মাথায়। বিপুল ভোটে ভোলার মানুষ নির্ধারণ করলেন তাদের আগামীর অভিভাবককে। এত অল্প সময়ের ব্যবধানে ভোলার সচেতন জনতা তাদের নেতা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে কালবিলম্ব করেননি। তারা বুঝে ফেলেছেন,সেই পুরনো ভোলাকে নতুন মোড়কে সাজাতে পার্থ’র বিকল্প নেই। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভোলাবাসী যেনো মোটেও কুন্ঠাবোধ করেননি।
তারা পার্থর হাতেই তুলে দিলেন আগামী ভোলার রুপকারের চাবি। বিজয়ের নিশান পেয়ে পার্থও তার ভালোবাসার মানুষগুলোর কাছে নিজের কৃতজ্ঞতাকে উজার কর ঢেলেছেন। আবেগঘণ অনুভূতির বার্তা ছড়িয়ে দিলেন পলিমাটি সমৃমদ্ধ ভোলা দ্বীপের উর্ব্বর জনপদে। বললেন-ভোলার উন্নয়নের রুপকার, সাবেক এমপি ও মন্ত্রী আমার শ্রদ্ধেয় পিতা নাজিউর রহমান মঞ্জুর মৃত্যুর পর ভোলা সদরের মানুষ অত্যন্ত স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে আমাকে সংসদ সদস্য বানিয়েছিলেন। বিরোধীদলীয় এমপি থাকায় তখন এলাকার উন্নয়ন করতে দেয়নি শোষক জুলুমবাজ ফ্যাসিস্ট সরকার। সেই মানুষগুলো আমাকে ও আমার মরহুম বাবার প্রতি শ্রদ্ধা এবং গভীর ভালোবাসা দেখিয় বুকভরা আশা নিয়ে আমাকে বিপুলভোটে ফের সংসদ সদস্য বানিয়েছেন। তাই আমি দ্যার্থহীন কন্ঠে বলবো, এ বিজয় ভোলার মানুষের বিজয়। এ বিজয়ের একমাত্র দাবীদার আমার প্রানের ভোলাবাসী। আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন,যদি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পাই তাহলে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমার হৃদয়ের ভোলাবাসীর পার্শ্বে তাদের সেবক হয়ে কাজ করে যাবো।
তিনি বলেন,অবহেলিত ভোলার মানুষের মৌলিক অধিকার’সহ অবকাঠামোগত একগুচ্ছ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করবোই ইনশাআল্লাহ। এগুলোর মধ্যে ভোলায় আন্তর্জাতিকমানের আধুনিক মেডিকেল কলেজ,ভোলা-বরিশাল স্বপ্নের সেতু,প্রাকৃতিক গ্যাসের সুষম ব্যবহার,জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট,পুল-কালভার্ট নির্মাণ এবং এ জেলাকে দক্ষিণাঞ্চলের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান কাজ। তিনি বলেন-এখানকার মানুষগুলোই হচ্ছে আমার পরিবার। আমার আগামীর পথচলা,হাসি,কান্না,সু:খ-দূ:খ আনন্দ-বেদনার সবকিছুই তাদের সাথে ভাগাভাগি করে চলবো। পার্থ বলেন-প্রিয় বাংলার নতুন রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানের দেয়া ভোলার গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত আমি হাল ছাড়ছিনা। প্রাণের ভোলাবাসীকে সাথে নিয়ে একটি অনিন্দ্য সুন্দর ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার চেষ্টা করবো৷
পড়ুন : ভোলার তিন আসনে ধানের শীষের আধিপত্য, সদরে গরুর গাড়ির চমক


