আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর আবারও আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। গত শুক্রবার স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়ে পাঁচ হাজার ২২ ডলারে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে এপ্রিলে লেনদেন নিষ্পত্তি হবে– এমন স্বর্ণের দর প্রতি আউন্স কেনাবেচা হয়েছে পাঁচ হাজার ৪৬ ডলারে। এর আগের দিন প্রায় ৩ শতাংশ দর পতনে এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমেছিল। খবর রয়টার্স।
এদিকে বাংলাদেশের বাজারে ২২ ক্যারেট মানের স্বর্ণের সর্বশেষ দাম (ভ্যাট ছাড়া) প্রতি ভরি দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সর্বশেষ গত ৯ ফেব্রুয়ারি এ দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস), যা গতকাল পর্যন্ত বহাল ছিল। বাজুস নির্ধারিত ৮ ফেব্রুয়ারির দর ছিল প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। সেদিন আন্তর্জাতিক স্পট বাজারে স্বর্ণের দর ছিল আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ১৭ ডলার।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার তুলনায় কম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দেশটিতে কর্মসংস্থান বেড়েছে– এমন খবরে সুদের হার ভবিষ্যতে কমানো হবে বলে ধারণা করছেন স্বর্ণের বাজারের বিনিয়োগকারীরা। এ কারণে গত সপ্তাহের মাঝামাঝি স্বর্ণের দরে পতন হয়েছিল। সেখান থেকে আবার দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। স্বর্ণের বাজারের বিশ্লেষক তাই ওয়ং বলেন, জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যসূচক প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে। আবার শ্রমবাজারের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, কর্মসংস্থান বেড়েছে। এই দুই কারণ স্বর্ণের দরকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছে।
এদিকে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ব্যাংক (এএনজেড) দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণের দর আরও বাড়তে পারে বলে তাদের পূর্বাভাস সংশোধন করেছে। ব্যাংকটির নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দর পাঁচ হাজার ৮০০ ডলারে উন্নীত হতে পারে।
রয়টার্সের খবরে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন ও ভারতে স্বর্ণের বাজারে এখন বিপরীত অবস্থা। চান্দ্র নববর্ষ পালন উপলক্ষে চীনের বাজারে স্বর্ণের চাহিদা তুঙ্গে আছে। তবে ভারতীয় বাজারে চাহিদা কমায় আমদানিকারক ও পাইকারি ক্রেতারা কম মূল্যে স্বর্ণ বিক্রি করছেন। সংবাদ পোর্টাল নিউজ১৮-এর খবর অনুযায়ী, গতকাল শনিবার কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বাইয়ের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৬৪ হাজার ৯৬৪ রুপিতে কেনাবেচা হয়েছে।
পড়ুন:সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও চড়া দামেই সবজি-মাছ-মুরগি
দেখুন:মাদারীপুরে ঘরের তালা ভেঙে বৃদ্ধার ঘরে যা দেখলো পুলিশ
ইম/


