সদ্য শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের কারচুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির। তবে অভিযোগপত্র পাঠ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে দ্রুত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে বেরিয়ে যান তিনি।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভবনের এস রহমান হলে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনিরের অভিযোগ, দুপুর ২টা পর্যন্ত ঠিকঠাক চলছিল নির্বাচন। দুপুরের পর শুরু হয় কারচুপি। তবে সাংবাদিকরা অভিযোগের প্রমাণ দেখতে চাইলে দেখাতে পারেননি তিনি।
১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের দুটি ছাড়া বাকি সব কেন্দ্রে হারেন তিনি। এমনকি নিজের কেন্দ্র চারিয়াতেও হন পরাজিত। ব্যাপক ব্যবধানে পরাজয়ের পর ভোট কারচুপির অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত, প্রশ্ন করলে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি তিনি। তার বিরুদ্ধে চার থেকে পাঁচটি চেক প্রতারণা মামলার অভিযোগের বিষয়টিও অস্বীকার করেন মুনির।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগের দিনই জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনিরকে। দীর্ঘদিন তিনি প্রচারণা চালান খেজুর মার্কা প্রতীকের। সেখান থেকে পল্টি নিয়ে প্রচারণা চালান খেলাফত আন্দোলনের ‘রিকশা’ প্রতীকের। জাতীয় পার্টি একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের টাকায় নির্বাচন করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে, আলোচনায় থাকতেই কি এমন সংবাদ সম্মেলন ডাকেন তিনি, প্রশ্ন করলে এক পর্যায়ে দ্রুত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে সেখান থেকে চলে যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের চট্টগ্রাম উত্তর জেলার শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, এনসিপির নেতা কে আই সাগর, আনোয়ার হোসাইন রব্বানী, মাওলানা মো. ঈসা ও মুফতি সিহাবুদ্দিনসহ অনেকে।
পড়ুন:শিক্ষা নিয়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা
দেখুন:পিরোজপুরে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগ হাতপাখা সমর্থকের বিরুদ্ধে |
ইমি/


