১৬/০২/২০২৬, ২১:৫০ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১৬/০২/২০২৬, ২১:৫০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সৌদির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রথম রোজা ১৮ ফেব্রুয়ারি

সৌদি আরবের তৈরি করা দাপ্তরিক হিজরি ক্যালেন্ডার উম্ম আল-কুরা অনুযায়ী আগামী বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজানের প্রথমদিন পড়বে। যদিও তাদের প্রতিবেশী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক জ্যোতির্বিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও চাঁদ দেখা যাবে না।

তবে গত কয়েক বছর ধরে অভিযোগ উঠছে, চাঁদ উঠুক আর না উঠুক সৌদি তাদের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমজান ও ঈদের ঘোষণা দিয়ে দিচ্ছে।

গত বছরের ২৬ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আই এক প্রতিবেদনে বলেছিল, গত কয়েক বছর ধরে সৌদির সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে তারা চাঁদ দেখার ব্যাপারে ‘মিথ্যা’ তথ্য দিচ্ছে।

মুসলিমরা চন্দ্রবর্ষ অনুসরণ করেন। চন্দ্রবর্ষে ১২টি মাস থাকে। এবং একেকটি মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। রমজান শেষ হওয়ার বিষয়টিও নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর।

বিশ্বের কিছু দেশ নিজেরা চাঁদ দেখে রমজান ও ঈদ শুরুর বিষয়টি নির্ধারণ করে। অপরদিকে কিছু দেশ সৌদির ওপর নির্ভর করে থাকে।

যেমন যুক্তরাজ্যে— যেখানে কোনো চাঁদ দেখা কমিটি নেই। দেশটির মুসল্লিরা সৌদির ঘোষণা অনুকরণ করে। যদিও স্কলাররা এ ব্যাপারে মানা করে থাকেন।

বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ঘোষণা নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক রয়েছে। এরমধ্যে ২০২৩ সালের ঈদুল ফিতরের ঘোষণা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছিল। সে বছর জ্যোতির্বিদরা সৌদির ঈদ ঘোষণার তারিখ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তারা বলেছিলেন ঈদ এদিন হবে না। কিন্তু সৌদি ঠিক ঈদের ঘোষণা দিয়েছিল।

ওই বছরের ২০ এপ্রিল সৌদি আরব ঈদের চাঁদের অনুসন্ধান করছিল। তখন কুয়েতের প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ আব্দেল আল-সাদুন বলেছিলেন, আরব উপদ্বীপে কোনোভাবেই চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “যদি কেউ চাঁদ দেখে থাকেন তাহলে প্রমাণ হিসেবে এটির ছবি তুলুন।” কিন্তু ওইদিনই সৌদি জানায় ২১ এপ্রিল ঈদ পালিত হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রমজানে খোলা থাকবে স্কুল, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন