ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শপথ নিয়েছেন। সরকার গঠনের লক্ষ্যে এদিন বিকেলে শপথ নেবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যারা শপথ নেবেন, তাদের ইতোমধ্যে আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন।
এদিকে টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন তিনজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের নাম। তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন আমিনুর রশীদ ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন আমিনুল হক।
টেকনোক্র্যাট কোটা কী
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হন। তবে বাংলাদেশের সংবিধানে একটি বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে দেশ পরিচালনার জন্য দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের কাজে লাগানো যায়।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে পারেন যারা সংসদ সদস্য নন। তবে এর একটি নির্দিষ্ট সীমা বা কোটা রয়েছে।
মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ (বা ১/১০ অংশ) টেকনোক্র্যাট হতে পারেন। বাকি ৯০ শতাংশ (বা ৯/১০ অংশ) অবশ্যই নির্বাচিত সংসদ সদস্য হতে হবে। যিনি টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হবেন, তাকে অবশ্যই সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য হতে হবে। অর্থাৎ তার বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।
সংসদ নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত তাকে পূরণ করতে হবে (যেমন : ঋণখেলাপি না হওয়া, বিদেশি নাগরিকত্ব না থাকা ইত্যাদি)।
পড়ুন: বিএনপি সরকারের পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৫ জন
আর/


