১৮/০২/২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৮/০২/২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দামুড়হুদার দলকা বিলে বোমা হামলা ও মাছ লুটের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দলকা বিলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি এবং বিপুল পরিমাণ মাছ লুটের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দলকা মরাগাংনী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ওমর আলী (৬৫)। তিনি দামুড়হুদা মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনের নামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সমিতির পক্ষ থেকে সরকারকে বার্ষিক ৪৫,২৮,১২৫ টাকা রাজস্ব প্রদান করে দলকা বিলে মাছ চাষ করা হচ্ছে। কিন্তু গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে একদল ব্যক্তি রাতের আঁধারে জোরপূর্বক বিল থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় বিলের পাহারাদাররা বাধা দিলে তাদের মারধর, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে কয়েকজন নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জন পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় বোমা, ধারালো রাম দা, চায়না কুড়াল, লোহার পাইপ ও রডসহ বিল এলাকায় উপস্থিত হয়। তারা বিলের ভেতরে চারটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পাহারাদারদের ধাওয়া দিলে তারা প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়। পরে অভিযুক্তরা বিল থেকে প্রায় ৬০ মণ মাছ ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে মোট প্রায় ১০০ মণ মাছ লুট করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় ওমর আলী বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একাধিক ব্যক্তির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, বিল নিয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত টাঙ্গাইলবাসী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন