১৮/০২/২০২৬, ২০:১৮ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১৮/০২/২০২৬, ২০:১৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বকশীগঞ্জে জমি বিরোধে দা হাতে হামলার অভিযোগ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য

বকশীগঞ্জ উপজেলা-এ পৈত্রিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আপন ভাই ও ভাতিজার ওপর দা নিয়ে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার গোয়ালগাঁও জেলখানা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়ালগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আবদুল কাদের টিটুর সঙ্গে তার ভাই আলী আকবরের দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে নিজের দখলীয় ১৯ শতাংশ জমিতে চাষ করতে গেলে আলী আকবর বাধা দেন।
ভুক্তভোগী আবদুল কাদের টিটুর দাবি, একপর্যায়ে আলী আকবর ব্যাগ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র (দা) বের করে হেলমেট পরিহিত অবস্থায় তাকে ও তার ছেলেকে আক্রমণের চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অভিযুক্ত স্থান ত্যাগ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বাবা জীবিত থাকাকালে কৌশলে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়েছেন আলী আকবর। বর্তমানে অবশিষ্ট জমি দখলের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্য হওয়ায় প্রভাব খাটানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

এদিকে, হামলার ভিডিও মঙ্গলবার রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আলী আকবরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পড়ুন- রূপগঞ্জে চাঁদা না দেয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, কোটি টাকার মালামাল লুট

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন