ইসলামপুর উপজেলা-এ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় ব্যানারে ‘সাংবাদিক’ শব্দটি উল্লেখ করা হলেও ইসলামপুর প্রেসক্লাব-এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
জামালপুর-২ আসনের সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু ইসলামপুর উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
বুধবার সকালেই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত সুধীজনরা স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। এমপি সকল মতামত গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ইসলামপুরকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ উপজেলায় রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তবে সভার ব্যানারে ‘সাংবাদিক’ উল্লেখ থাকলেও প্রেসক্লাবের সভাপতি মোরাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ লিটনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করা সাংবাদিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তারা বলেন, “এ ধরনের আয়োজনে প্রেসক্লাবকে অবহিত না করা পেশাগত শিষ্টাচারের পরিপন্থী। ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠানে যথাযথ সমন্বয় ও আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা বজায় রাখতে হবে।”
সভায় উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন- ঝিনাইদহে নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি, কিছু জিনিসের দাম বাড়তি


