সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ (Sehri Iftar Time 2026) চূড়ান্ত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।
এর আগের বছরগুলোতে সাহরির শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট আগে ধরা হতো এবং ফজরের ওয়াক্ত শুরুর সময় সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট পরে রাখা হতো। তবে এবার সাহরির সময় শেষেই ফজরের ওয়াক্তের সূচনা ধরা হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে সতর্কতামূলক সময়সূচি। হাদিসে সতর্কতামূলক সময়ের কোনো বর্ণনা না থাকায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব ও দেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতিদের মাধ্যমে এই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বছর ঢাকা ছাড়াও দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। তাই এবার ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব হিসাবে কোনো জেলার রোজাদারকে যোগ বা বিয়োগ করে সময় বের করতে হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত সময়সূচি দেখেই সাহরি ও ইফতার করতে পারবেন রোজাদাররা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন যে সূচি প্রকাশ করেছে, সময়সূচি অনুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম রমজানে ঢাকায় সাহরির শেষ সময় ভোররাত ৫টা ১২ মিনিট ও ইফতারির সময় ৫টা ৫৮ মিনিট।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, সময়সূচিতে লিখিত সাহরির শেষ সময় মূলত ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরুর সময়।
তবে যেহেতু জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দূরত্ব অনুপাতে সময়ের ব্যবধান হয়ে থাকে, তাই জেলার ভারসাম্য রক্ষার জন্য সাহরির সময় জেলার পূর্ব প্রান্ত এবং ফজরের আজানের সময়টি জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ইফতারের জন্য জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোজা পালনে সাহরি ও ইফতার গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি রোজার নিয়তও জরুরি। তবে এই ক্ষেত্রে রোজা রাখার উদ্দেশ্যে ঘুম থেকে ওঠা ও সাহরি খাওয়াটাই রোজার নিয়তের অন্তর্ভুক্ত।
বস্তুত মনের ইচ্ছাই হলো নিয়ত। নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। তাই কেউ মুখে নিয়ত না করলেও তার রোজাগুলো আদায় হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে রোজার একটি আরবি নিয়ত প্রসিদ্ধ— যেটা মানুষ মুখে পড়ে থাকেন। তবে এটি হাদিস ও ফিকাহের কোনো কিতাবে বর্ণিত হয়নি। তবে কেউ চাইলে পড়তে পারেন। (তবে জেনে রাখা উচিত যে, নিয়ত পড়ার চেয়ে নিয়ত করা গুরুত্বপূর্ণ।)
সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি দেখতে ক্লিক করুন।


