১৯/০২/২০২৬, ০:১৬ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৯/০২/২০২৬, ০:১৬ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় সাফ জয়ী সেঁজুতির সংবর্ধনা ও অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণের সমাপনী

থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটসাল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলের গর্বিত সদস্য ও গোলরক্ষক সেঁজুতি ইসলাম স্মৃতিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে মাসব্যাপী অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী অনুর্ধ্ব-১৪ বছর বয়সী ৩৫ জন নবীন অ্যাথলেটিকসদের মাঝে সনদপত্র ও সম্মাননা বিতরণ করা হয়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও জেলা ক্রীড়া অফিসের যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশসাকের সম্মেলন কক্ষে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তারের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. সাইফুর রহমান।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ম. কিবরিয়া চৌধুরী, জেলা সংস্থার সদস্য মো. আবুল কাশেম, মো. প্রীতম মিয়া সোহাগ ও সাংবাদিক কে. এম. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রশিক্ষক মো. মোখলেছুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সাফ জয়ী গোলরক্ষক ও নেত্রকোনা জেলার কৃতি সন্তান সেঁজুতি ইসলাম স্মৃতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান তাঁর বক্তব্যে সেঁজুতির অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “সাফ উইমেন্স ফুটসালে আমাদের দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, সেখানে আমাদের একজন সেঁজুতি ইসলাম স্মৃতি খেলোয়াড় হিসেবে ছিল। আমরা এতে অত্যন্ত আনন্দিত। আমি সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তিনি দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তির জন্য আয়োজক ও প্রশিক্ষণার্থীদেরকেও ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া বিভিন্ন থানার ৩৫ জন অনুর্ধ বয়সি নবীন ছেলেমেয়ের হাতে সমাপনী সনদপত্র ও এককালীন সম্মানী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অভিভাবকসুলভ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ম. কিবরিয়া চৌধুরী।

তিনি প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সময় সবচাইতে বড় পুঁজি। তোমরা এই ডিভাইসটি (মোবাইল/ইলেকট্রনিক ডিভাইস) কেউ অপব্যবহার করবে না। পিতা-মাতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকা যেভাবে গাইড করেন, তা হয়তো এখন চাপ মনে হতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে এর সুফল পাবে। মানবিকতার জায়গাগুলো আমরা হারাতে বসেছি, এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তোমরা নিঃসন্দেহে ভাগ্যবান যে, জেলার সর্বোচ্চ ফোরামে জেলা প্রশাসকের সামনে বসে তোমরা একটি সভায় অংশ নিতে পারছ।” তিনি শিক্ষার্থীদের নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সংবর্ধিত হওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সেজুতি ইসলাম স্মৃতি বলেন, “জেলা প্রশাসন থেকে সংবর্ধনা পাওয়া যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই একটি অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। সব খেলোয়াড়ই তাদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এমন সম্মাননা পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। আমিও আশা করেছিলাম যে আমাকে সংবর্ধিত করা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সেই কাঙ্ক্ষিত সম্মাননা আমি পেয়েছি।”

নেত্রকোনার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে এবং জাতীয় পর্যায়ে জেলার সুনাম বয়ে আনার জন্য সেঁজুতি ইসলাম স্মৃতি এবং অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী নবীন খেলোয়াড়রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নেত্রকোনার চমক: ভূমি মন্ত্রণালয়ে ডাক পেলেন ব্যারিস্টার কায়সার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন