১৯/০২/২০২৬, ১৭:০৯ অপরাহ্ণ
32 C
Dhaka
১৯/০২/২০২৬, ১৭:০৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কিউবার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাকে আমল দেয় না রাশিয়া : পুতিন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত জানুয়ারিতে মধ্য আমেরিকার দেশ কিউবার ওপর যে জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন, তাকে আমল দেয় না রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কিউবার ওপর জারি করা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে রাশিয়ার অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মস্কো সফরে গিয়েছিলেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ। পরের দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠক হয় তার।

বৈঠকে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, “এখন নিষেধাজ্ঞার বিশেষ মৌসুম শুরু হয়েছে। আপনারা জানেন যে আমরা এটাকে কীভাবে দেখি। আমরা এ ধরনের কোনো কিছুকে আমল দিই না, দেবোও না। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান প্রকাশ্য, স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন।”

প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ত্রোর নেতৃত্বে ১৯৫৯ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লব হয় মধ্য আমেরিকার দেশ কিউবায়। সেই বিপ্লবের পর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে দেশটির এবং মিত্রতা তৈরি হয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পরও মস্কোর সঙ্গে বন্ধুত্ব এখনও অটুট আছে হাভানার।

২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সেনা অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ এবং দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির বিপুল তেলসম্পদ হস্তগত করায় বিপদে পড়ে কিউবা। কারণ বামপন্থি প্রেসিডেন্ট মাদুরো নিয়মিত কিউবাকে হ্রাসকৃত মূল্যে তেল সরবরাহ করতেন। প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

এই বিপদ আরও বেড়ে যায় কিউবার ওপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞার পর। জানুয়ারির মাঝামাঝি ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যদি অন্য কোনো দেশ কিউবায় তেল রপ্তানি করে— তাহলে সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত রপ্তানি শুল্ক জারি করবে যুক্তরাষ্ট্র।

কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, “১৯৫৯ সালে স্বাধীনতার পর থেকে এত গুলো বছর ধরে কী কঠিন পরিস্থিতি পার করতে হচ্ছে কিউবার জনগণকে, তা আমরা জানি। শুধুমাত্র নিজেদের ন্যায্য অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থকে রক্ষার জন্য কিউবার জনগণকে এখনও সংগ্রাম করতে হচ্ছে।”

এদিকে, গতকাল হাভানায় রুশ দূতাবাস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে— কিউবার জ্বালানি সংকট কাটাতে দেশটিতে তেল সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া। শিগগিরই হাভানায় পৌঁছাবে তেলের প্রথম চালান।

পড়ুন:সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

দেখুন:সচিবালয়ে কর্মচারীদের এক ঘণ্টার কর্মবিরতি, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা |

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন